পদ্মার চরে দুই মাসের ব্যবধানে দূর্বৃত্তের গুলিতে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পৃথক দুটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পদ্মার চর এলাকা ভারতের সীমান্ত হওয়ায় অবৈধভাবে সন্ত্রাসী বাহিনী ভারত থেকে অতি সহজে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এসে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে বলে স্থানীয়রা জানান।
জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর পদ্মার চরের রাজশাহীর বাঘা, নাটোরের লালপুর, পাবনার ঈশ্বরদী এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সীমান্তের পদ্মার চরের নীচ খানপুরের হবিরচরের দক্ষিণে চৌদ্দহাজার মাঠে খড় কাটাকে কেন্দ্র করে গোলাগুলিতে খানপুরের মিনহাজ মন্ডলে ছেলে আমান মন্ডল, একই গ্রামের শুকুর মন্ডলের ছেলে নাজমুল হোসেন নিহত হয়।
পরের দিন ২৮ অক্টোবর হবিরচর থেকে কুষ্টিয়ার লিটন হোসেনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার দুই মাস পর ৩ জানুয়ারি গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে গুলি করে সোহেল রানাকে হত্যা করা হয়। সোহেল রানা রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের পলাশি ফতেপুর করালি নওশারার চরের কালু মন্ডলের ছেলে।
এ ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০টি আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় তৈরি ২টি বন্দুক, ৭টি পিস্তল, ২৪ রাউন্ড কার্তুজ, ৫টি মোটরসাইকেল, মাদকদ্রব্য, ইঞ্জিনচালিত নৌকা, স্পিডবোর্ড, অস্ত্র রাখার সিলিন্ডার, ছয়টি বড় ডেগার, ২২টি হাসুয়া, চারটি ছোরা, দুটি চাপাতি, একটি দা, একটি লোহার পাইপ, একটি টিউবওবয়েল ও একটি চকি উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক বলেন, প্রশাসনের তালিকায় পদ্মার চরের ১১টি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নাম রয়েছে। সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে কাঁকন বাহিনী, মন্ডল বাহিনী, টুকু বাহিনী, সাঈদ বাহিনী, লালচাঁদ বাহিনী, রাখি বাহিনী, শরীফ কাইগি বাহিনী, রাজ্জাক বাহিনী, চল্লিশ বাহিনী, বাহান্ন বাহিনী, সুখচাঁদ-নাহারুল বাহিনী। এই বাহিনী একের পর সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে মানুষ হত্যা করছে। তবে 'অপারেশন ফাস্ট লাইট' অভিযানে কয়েক দফায় ২০৩ জনকে গ্রেফতার ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর পদ্মার চরের রাজশাহীর বাঘা, নাটোরের লালপুর, পাবনার ঈশ্বরদী এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সীমান্তের পদ্মার চরের নীচ খানপুরের হবিরচরের দক্ষিণে চৌদ্দহাজার মাঠে খড় কাটাকে কেন্দ্র করে গোলাগুলিতে খানপুরের মিনহাজ মন্ডলে ছেলে আমান মন্ডল, একই গ্রামের শুকুর মন্ডলের ছেলে নাজমুল হোসেন নিহত হয়।
পরের দিন ২৮ অক্টোবর হবিরচর থেকে কুষ্টিয়ার লিটন হোসেনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার দুই মাস পর ৩ জানুয়ারি গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে গুলি করে সোহেল রানাকে হত্যা করা হয়। সোহেল রানা রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের পলাশি ফতেপুর করালি নওশারার চরের কালু মন্ডলের ছেলে।
এ ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০টি আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় তৈরি ২টি বন্দুক, ৭টি পিস্তল, ২৪ রাউন্ড কার্তুজ, ৫টি মোটরসাইকেল, মাদকদ্রব্য, ইঞ্জিনচালিত নৌকা, স্পিডবোর্ড, অস্ত্র রাখার সিলিন্ডার, ছয়টি বড় ডেগার, ২২টি হাসুয়া, চারটি ছোরা, দুটি চাপাতি, একটি দা, একটি লোহার পাইপ, একটি টিউবওবয়েল ও একটি চকি উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক বলেন, প্রশাসনের তালিকায় পদ্মার চরের ১১টি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নাম রয়েছে। সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে কাঁকন বাহিনী, মন্ডল বাহিনী, টুকু বাহিনী, সাঈদ বাহিনী, লালচাঁদ বাহিনী, রাখি বাহিনী, শরীফ কাইগি বাহিনী, রাজ্জাক বাহিনী, চল্লিশ বাহিনী, বাহান্ন বাহিনী, সুখচাঁদ-নাহারুল বাহিনী। এই বাহিনী একের পর সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে মানুষ হত্যা করছে। তবে 'অপারেশন ফাস্ট লাইট' অভিযানে কয়েক দফায় ২০৩ জনকে গ্রেফতার ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন