এবারের ৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশের কোনো প্রকাশনা সংস্থা অংশ নিতে পারছে না। নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সরকারি অনুমতি না পাওয়াকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে মেলার আয়োজক সংস্থা পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ড।
গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতি এবং সরকারি সবুজ সংকেত না পাওয়ায় আমরা ঝুঁকি নিতে পারছি না। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি ভালো হলে অংশগ্রহণের আশা রয়েছে। বাংলাদেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের জন্য পাঠকরা অপেক্ষা করেন, কিন্তু এবারের মেলায় তা সম্ভব হচ্ছে না।”
আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কলকাতার সল্টলেক প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবারের বইমেলা। মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারের থিম কান্ট্রি হিসেবে থাকছে আর্জেন্টিনা।
১৯৯৬ সাল থেকে প্রায় তিন দশক ধরে আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করে আসছিল বাংলাদেশ। ২০২৪ সালে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন ‘সেরা প্যাভিলিয়ন’ হিসেবে সম্মানও পেয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পরিস্থিতি, নিরাপত্তা শঙ্কা এবং কৌশলগত বিবেচনার কারণে এবারের আসরে বাংলাদেশকে দেখা যাচ্ছে না।
এবারের বইমেলায় প্রায় এক হাজারের বেশি স্টল বসছে এবং বিশ্বের ২০টি দেশ অংশগ্রহণ করছে। তা সত্ত্বেও প্রতিবেশী বাংলাদেশের অনুপস্থিতি বইপ্রেমী ও প্রকাশনা সংশ্লিষ্টদের কাছে বড় আক্ষেপ হিসেবেই ধরা দিচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতি এবং সরকারি সবুজ সংকেত না পাওয়ায় আমরা ঝুঁকি নিতে পারছি না। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি ভালো হলে অংশগ্রহণের আশা রয়েছে। বাংলাদেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের জন্য পাঠকরা অপেক্ষা করেন, কিন্তু এবারের মেলায় তা সম্ভব হচ্ছে না।”
আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কলকাতার সল্টলেক প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবারের বইমেলা। মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারের থিম কান্ট্রি হিসেবে থাকছে আর্জেন্টিনা।
১৯৯৬ সাল থেকে প্রায় তিন দশক ধরে আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করে আসছিল বাংলাদেশ। ২০২৪ সালে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন ‘সেরা প্যাভিলিয়ন’ হিসেবে সম্মানও পেয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পরিস্থিতি, নিরাপত্তা শঙ্কা এবং কৌশলগত বিবেচনার কারণে এবারের আসরে বাংলাদেশকে দেখা যাচ্ছে না।
এবারের বইমেলায় প্রায় এক হাজারের বেশি স্টল বসছে এবং বিশ্বের ২০টি দেশ অংশগ্রহণ করছে। তা সত্ত্বেও প্রতিবেশী বাংলাদেশের অনুপস্থিতি বইপ্রেমী ও প্রকাশনা সংশ্লিষ্টদের কাছে বড় আক্ষেপ হিসেবেই ধরা দিচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে