রংপুরসহ বিভাগের আট জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে। চলতি শীত মৌসুমের মধ্যে আজ বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নওগাঁয় ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ অঞ্চলের আরও পাঁচ জেলায় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে।
পাঁচ দিন পর সূর্যের মুখ দেখা গেলেও নেই কোনও তাপ। দুই ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হচ্ছে না সূর্যের আলো। আবহাওয়া বিভাগ এক সপ্তাহের মধ্যে দুটি মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আগাম সতর্কবার্তা দিয়েছে।
এদিকে, শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিউমোনিয়া, সর্দিজ্বর, কোল্ড ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগবালাই ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। গত তিন দিনে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১০ জন বয়স্ক নারী-পুরুষ ও ৩৮ জন শিশু কোল্ড ডায়রিয়া আর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের সর্দার অফিসের মমতাজ উদ্দিন।
অপরদিকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানিয়েছেন, হাসপাতালে শিশু বিভাগের তিনটি ওয়ার্ডসহ মেডিসিন ওয়ার্ডে কোথাও তিল ধারণের জায়গা নেই।
রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আউটডোরে প্রতিদিন শত শত শিশু শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে আসছে করছে। আউটডোরগুলোতে আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে স্বজনরা ভিড় করছেন।
রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার সকাল ৯টায় ঠাকুরগাঁয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া নীলফামারীর ডিমলায় ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি, দিনাজপুরে ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি, রংপুরে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি, নীলফামারীর সৈয়দপুরে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি, লালমনিরহাটে ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি এবং গাইবান্ধায় ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
রংপুর আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজার রহমান জানান, রংপুর বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় সূর্যের মুখ দেখা গেলেও তা স্থায়ী থাকছে দুই থেকে তিন ঘণ্টা। বেশির ভাগ জেলায় মধ্যরাত থেকে বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ছে। সেই সঙ্গে হিমেল বাতাস শীতের তীব্রতাকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এবার শীতের তীব্রতা যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে চলতি সপ্তাহে তাপ মাত্রা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসার আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া দফতর থেকে। এতে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে, এবার শীতে সহায়-সম্বলহীন হতদরিদ্র ও ভাসমান মানুষদের জন্য শীতবস্ত্র ও শিশুদের গরম কাপড় দেওয়ার ব্যাপারে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে রংপুর ত্রান বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
রংপুর বিভাগীয় প্রশাসকের দফতর সূত্রে জানা গেছে, বিভাগের আট জেলায় শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বরাদ্দ করার জন্য তারা সংশ্লিষ্ট দফতরকে চাহিদাপত্র দিলেও প্রয়োজনের তুলনায় এখনও কোনও বরাদ্দ আসেনি। বরাদ্দ মিলেছে অনেক কম। ফলে শীতবস্ত্রের অভাবে সহায়-সম্বলহীন মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। অপরদিকে, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবার শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ তেমনভাবে করছে না বলে জানা গেছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
পাঁচ দিন পর সূর্যের মুখ দেখা গেলেও নেই কোনও তাপ। দুই ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হচ্ছে না সূর্যের আলো। আবহাওয়া বিভাগ এক সপ্তাহের মধ্যে দুটি মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আগাম সতর্কবার্তা দিয়েছে।
এদিকে, শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিউমোনিয়া, সর্দিজ্বর, কোল্ড ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগবালাই ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। গত তিন দিনে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১০ জন বয়স্ক নারী-পুরুষ ও ৩৮ জন শিশু কোল্ড ডায়রিয়া আর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের সর্দার অফিসের মমতাজ উদ্দিন।
অপরদিকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানিয়েছেন, হাসপাতালে শিশু বিভাগের তিনটি ওয়ার্ডসহ মেডিসিন ওয়ার্ডে কোথাও তিল ধারণের জায়গা নেই।
রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আউটডোরে প্রতিদিন শত শত শিশু শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে আসছে করছে। আউটডোরগুলোতে আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে স্বজনরা ভিড় করছেন।
রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার সকাল ৯টায় ঠাকুরগাঁয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া নীলফামারীর ডিমলায় ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি, দিনাজপুরে ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি, রংপুরে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি, নীলফামারীর সৈয়দপুরে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি, লালমনিরহাটে ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি এবং গাইবান্ধায় ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
রংপুর আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজার রহমান জানান, রংপুর বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় সূর্যের মুখ দেখা গেলেও তা স্থায়ী থাকছে দুই থেকে তিন ঘণ্টা। বেশির ভাগ জেলায় মধ্যরাত থেকে বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ছে। সেই সঙ্গে হিমেল বাতাস শীতের তীব্রতাকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এবার শীতের তীব্রতা যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে চলতি সপ্তাহে তাপ মাত্রা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসার আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া দফতর থেকে। এতে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে, এবার শীতে সহায়-সম্বলহীন হতদরিদ্র ও ভাসমান মানুষদের জন্য শীতবস্ত্র ও শিশুদের গরম কাপড় দেওয়ার ব্যাপারে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে রংপুর ত্রান বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
রংপুর বিভাগীয় প্রশাসকের দফতর সূত্রে জানা গেছে, বিভাগের আট জেলায় শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বরাদ্দ করার জন্য তারা সংশ্লিষ্ট দফতরকে চাহিদাপত্র দিলেও প্রয়োজনের তুলনায় এখনও কোনও বরাদ্দ আসেনি। বরাদ্দ মিলেছে অনেক কম। ফলে শীতবস্ত্রের অভাবে সহায়-সম্বলহীন মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। অপরদিকে, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবার শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ তেমনভাবে করছে না বলে জানা গেছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন