মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহটি কেটে গেলেও আরও কয়েকদিন মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই কুয়াশার কারণেই শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) আফরোজা সুলতানা গণমাধ্যমকে বলেন, “শনি, রোব ও সোমবার মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে।”
তিনি বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। শুক্রবার সাত জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহটি শনিবার আর ‘বইছে না’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তবে কুয়াশার কারণে শীত বেশি মনে হচ্ছে।”
শনিবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, ভোর ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাবনার ঈশ্বরদী ও কিশোরগঞ্জের নিকলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাজশাহীতে ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে টেকনাফে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে সাধারণত মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। তবে কিছু স্থানে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী না হওয়ায় এবং আশপাশে প্রভাব না রাখায় একে শৈত্যপ্রবাহ বলা যাচ্ছে না।
শনিবার প্রকাশিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মঙ্গল ও বুধবার মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। শনি থেকে বুধবার পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
এতে আরও বলা হয়, শনিবার সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রোববার রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সোমবার সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে এ তিন দিন দেশের অনেক জায়গায় ঠান্ডার অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে। মঙ্গল ও বুধবারও সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
এদিকে সকালে ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে ব্যর্থ হয়ে কলকাতা, ব্যাংকক ও চট্টগ্রামে অবতরণ করেছে আটটি ফ্লাইট। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে কয়েকটি ফ্লাইট বিভিন্ন বিমানবন্দরে ডাইভার্ট করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি ফ্লাইট চট্টগ্রামে, চারটি ফ্লাইট কলকাতায় এবং একটি ফ্লাইট ব্যাংককে অবতরণ করেছে।
এর আগে শুক্রবার আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছিল, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নীলফামারী জেলার ওপর দিয়ে মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিল। বড় এলাকাজুড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ, ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) আফরোজা সুলতানা গণমাধ্যমকে বলেন, “শনি, রোব ও সোমবার মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে।”
তিনি বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। শুক্রবার সাত জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহটি শনিবার আর ‘বইছে না’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তবে কুয়াশার কারণে শীত বেশি মনে হচ্ছে।”
শনিবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, ভোর ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাবনার ঈশ্বরদী ও কিশোরগঞ্জের নিকলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাজশাহীতে ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে টেকনাফে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে সাধারণত মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। তবে কিছু স্থানে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী না হওয়ায় এবং আশপাশে প্রভাব না রাখায় একে শৈত্যপ্রবাহ বলা যাচ্ছে না।
শনিবার প্রকাশিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মঙ্গল ও বুধবার মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। শনি থেকে বুধবার পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
এতে আরও বলা হয়, শনিবার সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রোববার রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সোমবার সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে এ তিন দিন দেশের অনেক জায়গায় ঠান্ডার অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে। মঙ্গল ও বুধবারও সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
এদিকে সকালে ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে ব্যর্থ হয়ে কলকাতা, ব্যাংকক ও চট্টগ্রামে অবতরণ করেছে আটটি ফ্লাইট। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে কয়েকটি ফ্লাইট বিভিন্ন বিমানবন্দরে ডাইভার্ট করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি ফ্লাইট চট্টগ্রামে, চারটি ফ্লাইট কলকাতায় এবং একটি ফ্লাইট ব্যাংককে অবতরণ করেছে।
এর আগে শুক্রবার আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছিল, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নীলফামারী জেলার ওপর দিয়ে মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিল। বড় এলাকাজুড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ, ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে