রাজবাড়ী সদর উপজেলার শহীদ ওহাবপুরে সুরাইয়া নামে চার মাসের এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে বটি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) ভোরে ধুলদী জয়পুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে রাজবাড়ী থানার ওসি খন্দকার জিয়াউর রহমান জানান।
নিহত ওই গৃহবধূর নাম সুরাইয়া আক্তার (২০)। তিনি ধুলদী জয়পুর গ্রামের রেজাউল ইসলামের স্ত্রী।
নিহতের ভাসুর মো. মিজানুর রহমান বলেন, প্রতিনিদিন ভোরে সুরাইয়া ঘুম থেকে উঠে মায়ের সঙ্গে ফজরের নামাজ পড়ে। এরপর মা প্রতিদিন হাঁটতে বের হয়। আর সুরাইয়া উঠান ঝাড়ু দেয়। আজকে ভোরে আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম। মা হাঁটা শেষ করে ফিরে সুরাইয়াকে খুঁজতে থাকে। কোথাও না পেয়ে আমাদের কাছে জিজ্ঞাসা করে। পরে আমরাও খুঁজতে থাকি। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে দেখি খড়ির ঘরে তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে আছে।
তিনি বলেন, চার মাস আগে মার ছোট ভাইয়ের সঙ্গে সুরাইয়ার বিয়ে হয়। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে জানি না। যেই জড়িত থাকুক, তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) ভোরে ধুলদী জয়পুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে রাজবাড়ী থানার ওসি খন্দকার জিয়াউর রহমান জানান।
নিহত ওই গৃহবধূর নাম সুরাইয়া আক্তার (২০)। তিনি ধুলদী জয়পুর গ্রামের রেজাউল ইসলামের স্ত্রী।
নিহতের ভাসুর মো. মিজানুর রহমান বলেন, প্রতিনিদিন ভোরে সুরাইয়া ঘুম থেকে উঠে মায়ের সঙ্গে ফজরের নামাজ পড়ে। এরপর মা প্রতিদিন হাঁটতে বের হয়। আর সুরাইয়া উঠান ঝাড়ু দেয়। আজকে ভোরে আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম। মা হাঁটা শেষ করে ফিরে সুরাইয়াকে খুঁজতে থাকে। কোথাও না পেয়ে আমাদের কাছে জিজ্ঞাসা করে। পরে আমরাও খুঁজতে থাকি। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে দেখি খড়ির ঘরে তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে আছে।
তিনি বলেন, চার মাস আগে মার ছোট ভাইয়ের সঙ্গে সুরাইয়ার বিয়ে হয়। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে জানি না। যেই জড়িত থাকুক, তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে