ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান (৫৮) নিহত হয়েছেন। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে গাজীপুরের টঙ্গীতে বিআরটি প্রকল্পের উড়াল সেতুর বাটাগেট এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। নিহত সিদ্দিকুর রহমান বরিশালের বাবুগঞ্জ থানাধীন মৃত ইসমাইল ফকিরের ছেলে। তিনি টঙ্গীর মধুমিতা রোড এলাকায় পরিবারসহ ভাড়া বাসায় থাকতেন। সিদ্দিক রাজধানীর কেরানীগঞ্জে বিদ্যুৎ বিভাগে স্টোর অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) টঙ্গী পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানান, সকালে কেরানীগঞ্জে বিদ্যুৎ বিভাগের অফিসে যাওয়ার জন্য ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাটা গেট এলাকায় সিঁড়ি দিয়ে বিআরটি প্রকল্পের উড়াল সেতুর উপরে ওঠার সময় ছিনতাইকারীরা তার গতিরোধ করে। এ সময় কয়েকজন ছিনতাইকারী তার কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। বাধা দেওয়ায় ছিনতাইকারীরা ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যেই ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।’ জিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মাহিদুল হাসান বলেন, ‘এ নৃশংস হত্যার ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেফতারের জন্য ইতোমধ্যে পুলিশ অভিযানে নেমেছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে।’
এদিকে, টঙ্গী পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোসাব্বির হোসেন জানান, টঙ্গী পূর্ব থানাধীন সোনালি কাবাব রোডে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিন-চার দিন ধরে অজ্ঞাত ওই যুবক সড়কের আশেপাশে অসুস্থ অবস্থায় পড়েছিলেন। স্থানীয়রা ধারণা করছেন, তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর পাঁচদোনা এলাকায়। অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় নিশ্চিত করতে সিআইডির বিশেষজ্ঞ টিমকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করবেন। এরপর ময়নাতদন্তের পর আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) টঙ্গী পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানান, সকালে কেরানীগঞ্জে বিদ্যুৎ বিভাগের অফিসে যাওয়ার জন্য ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাটা গেট এলাকায় সিঁড়ি দিয়ে বিআরটি প্রকল্পের উড়াল সেতুর উপরে ওঠার সময় ছিনতাইকারীরা তার গতিরোধ করে। এ সময় কয়েকজন ছিনতাইকারী তার কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। বাধা দেওয়ায় ছিনতাইকারীরা ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যেই ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।’ জিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মাহিদুল হাসান বলেন, ‘এ নৃশংস হত্যার ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেফতারের জন্য ইতোমধ্যে পুলিশ অভিযানে নেমেছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে।’
এদিকে, টঙ্গী পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোসাব্বির হোসেন জানান, টঙ্গী পূর্ব থানাধীন সোনালি কাবাব রোডে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিন-চার দিন ধরে অজ্ঞাত ওই যুবক সড়কের আশেপাশে অসুস্থ অবস্থায় পড়েছিলেন। স্থানীয়রা ধারণা করছেন, তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর পাঁচদোনা এলাকায়। অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় নিশ্চিত করতে সিআইডির বিশেষজ্ঞ টিমকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করবেন। এরপর ময়নাতদন্তের পর আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন