ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নসিমন চালক ওমর শেখকে (৪৫) গলাকেটে ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় কালীগঞ্জ শহরের মোবারকগঞ্জ চিনিকলের খাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত ওমর শেখ বারবাজার ইউনিয়নের বেলাট গ্রামের আব্দুস সাত্তার শেখের ছেলে। বৃহস্পতিবার বিকেলে নসিমন গাড়ি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন তিনি।
স্থানীয়রা জানান, সকালে মোবারকগঞ্জ চিনিকলের ফার্মের মাঠে লাশ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
বারবাজারের শ্রমিক ইসমাইল বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে শ্রমিকের কাজ করতাম। কিছুদিন আগে ওমর নসিমন কিনেছে। সে বারোবাজারের মাছের ভাড়া টানত। সকালে ফোন করলে রিসিভ হচ্ছিল না। পরে জানতে পারি তাকে হত্যা করা হয়েছে।’
নিহতের বাবা সাত্তার শেখ বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকালে বাড়ি থেকে আলমসাধু নিয়ে কালীগঞ্জ বাজারে আসে। এরপর শুক্রবার সকালে পুলিশ খবর দিলে এসে মরদেহ শনাক্ত করি।’
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, নিহতের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ও রশি বাধার চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলে ক্রাইম সিন ইউনিট কাজ করছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে গলাকেটে ও শ্বাসরোধে হত্যা করে ফেলে রাখা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনই বলা যাচ্ছে না।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় কালীগঞ্জ শহরের মোবারকগঞ্জ চিনিকলের খাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত ওমর শেখ বারবাজার ইউনিয়নের বেলাট গ্রামের আব্দুস সাত্তার শেখের ছেলে। বৃহস্পতিবার বিকেলে নসিমন গাড়ি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন তিনি।
স্থানীয়রা জানান, সকালে মোবারকগঞ্জ চিনিকলের ফার্মের মাঠে লাশ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
বারবাজারের শ্রমিক ইসমাইল বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে শ্রমিকের কাজ করতাম। কিছুদিন আগে ওমর নসিমন কিনেছে। সে বারোবাজারের মাছের ভাড়া টানত। সকালে ফোন করলে রিসিভ হচ্ছিল না। পরে জানতে পারি তাকে হত্যা করা হয়েছে।’
নিহতের বাবা সাত্তার শেখ বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকালে বাড়ি থেকে আলমসাধু নিয়ে কালীগঞ্জ বাজারে আসে। এরপর শুক্রবার সকালে পুলিশ খবর দিলে এসে মরদেহ শনাক্ত করি।’
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, নিহতের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ও রশি বাধার চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলে ক্রাইম সিন ইউনিট কাজ করছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে গলাকেটে ও শ্বাসরোধে হত্যা করে ফেলে রাখা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনই বলা যাচ্ছে না।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে