চট্টগ্রামকে নিরাপদ ও প্রযুক্তিনির্ভর নগর হিসেবে গড়ে তুলতে স্মার্ট সড়কবাতি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)–ভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। এ লক্ষ্যে 'ইমপ্লিমেন্টেশন অফ স্মার্ট লাইটিং (সোলার/নন-সোলার) উইথ এআই–বেইসড সিসিটিভি সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম ইন চট্টগ্রাম সিটি এরিয়া ফর এনশিউরিং স্মার্ট অ্যান্ড সেফ সিটি' শিরোনামে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) প্রণয়নে ইতোমধ্যে চার সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
কমিটি প্রকল্পের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ, অগ্রাধিকারভিত্তিক সড়ক নির্বাচন এবং ডিপিপি তৈরির কাজ করছে। প্রকল্পটি এখন পরিকল্পনা ও প্রস্তাবনা প্রণয়ন পর্যায়ে রয়েছে। সড়কের তালিকা প্রস্তুত ও প্রাথমিক কাঠামো চূড়ান্ত করার কাজও চলমান। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, শহরের প্রধান সড়ক, মোড়, সেতু ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার তালিকা তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে—ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ তালিকা প্রস্তুত হয়েছে। তবে প্রকল্পে কত ব্যয় হবে, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানায়নি চসিক। ডিপিপি চূড়ান্ত হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হবে।
গত ১৯ নভেম্বর চসিকের সচিব মো. আশরাফুল আমিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়বকে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম ও সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. সরওয়ার আলম খান সদস্য হিসেবে আছেন। নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. শাফকাত বিন আমিন সদস্য–সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন।
চসিক সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ নগরকে আলোকিত করার পাশাপাশি নগর নিরাপত্তা, টহল ব্যবস্থা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও জরুরি সেবায় সমন্বিত অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটাবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগর ব্যবস্থাপনায় আধুনিক ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেমের ভিত্তি তৈরি হবে। চসিক কর্মকর্তারা বলছেন, স্মার্ট ক্যামেরা ও লাইটিং সিস্টেম চালু হলে অপরাধ দমন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিতকরণ, দুর্ঘটনা পর্যবেক্ষণ এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। বিশেষ করে জনবহুল এলাকা, সেতু, মোড় ও পরিবহন রুটগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পুলিশনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাইরে এসে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ব্যবস্থাপনায় এগিয়ে যাওয়ায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। পাশাপাশি সোলার ও নন-সোলার, দুই ধরনের বিদ্যুৎসাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে প্রকল্পটিকে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
জানতে চাইলে কমিটির সদস্য–সচিব ও নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. শাফকাত বিন আমিন বলেন, "সিসিটিভি ও লাইট বসানোর জন্য আমরা সড়কের তালিকা প্রস্তুত করছি। ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা পুরো ৪১ ওয়ার্ডকে কাভার করা—প্রথমে প্রধান সড়কগুলো, এরপর ধাপে ধাপে লেন ও বাইলেন।" চসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান সোহেল জানান, এর আগে ভারতীয় এক্সিম ব্যাংকের সহযোগিতায় সড়কবাতি স্থাপনের একটি প্রকল্প নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। নতুন উদ্যোগের অধীনে এখন ডিপিপি প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, "নগরের ৪১টি ওয়ার্ডের প্রধান সড়কগুলো এ প্রকল্পের আওতায় আসবে। গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে সোলার ও নন–সোলার স্মার্ট লাইটিংয়ের পাশাপাশি স্থাপন করা হবে সিসিটিভি নজরদারি।" চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, "আমার প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ নগর গড়া। ৪১ ওয়ার্ডে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)–ভিত্তিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন হলে শহরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ঘটবে। পাশাপাশি সোলার সড়কবাতি বিদ্যুৎ সাশ্রয় করবে এবং পরিবেশ দূষণ কমাবে।"
চুক্তির ছয় মাসেই বন্ধ ২৬০ কোটি টাকার স্মার্ট লাইটিং উদ্যোগ:
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ২০২৪ সালের ৬ জুলাই নগরের ৪৬৬ কিলোমিটার সড়ক আলোকিত করতে 'মডার্নাইজেশন অব সিটি স্ট্রিট লাইট সিস্টেম অ্যাট ডিফারেন্ট এরিয়াস আন্ডার চসিক' প্রকল্প গ্রহণ করে। ভারতের অর্থায়নে ২৬০ কোটি ৮৯ লাখ টাকার এই প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও পাঁচ মাসের মাথায় ডিসেম্বরেই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে প্রকল্পটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয় চসিক এবং এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠায়। প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত রয়েছে। ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ–ভারতের মধ্যে লাইন অব ক্রেডিট (এলওসি)–এর আওতায় ৭৩৬ কোটি মার্কিন ডলারের তিনটি ঋণচুক্তি কার্যকর রয়েছে। এর মধ্যে এই প্রকল্পে এলওসি–৩ থেকে ভারতের এক্সিম ব্যাংক সরবরাহ করবে ২১৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকা; বাকি ৪৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা দেবে বাংলাদেশ সরকার।
টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ২০১৭ সালে ভারতের এনার্জি ইফিসিয়েন্সি সার্ভিস লিমিটেড (ইইএসএল) ও বাংলাদেশ টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর চসিক এ প্রকল্প হাতে নেয়। ২০১৯ সালের ৯ জুলাই একনেকে অনুমোদন এবং ২০২৩ সালের ৬ জুলাই ভারতীয় কোম্পানি 'শাপার্জি পালোনজি অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড'-এর সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়। প্রকল্পের আওতায় ৪১ ওয়ার্ডে ২০,৬০০টি এলইডি বাতি; ২০,২৬৭টি জিআই পোল; ৫০৭টি কন্ট্রোল সুইচবক্স বসানো এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি সংগ্রহের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র–জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ভারতীয় ঠিকাদাররা বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। এরপর আগস্টে সরকার পরিবর্তনের পর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দিলে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
কমিটি প্রকল্পের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ, অগ্রাধিকারভিত্তিক সড়ক নির্বাচন এবং ডিপিপি তৈরির কাজ করছে। প্রকল্পটি এখন পরিকল্পনা ও প্রস্তাবনা প্রণয়ন পর্যায়ে রয়েছে। সড়কের তালিকা প্রস্তুত ও প্রাথমিক কাঠামো চূড়ান্ত করার কাজও চলমান। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, শহরের প্রধান সড়ক, মোড়, সেতু ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার তালিকা তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে—ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ তালিকা প্রস্তুত হয়েছে। তবে প্রকল্পে কত ব্যয় হবে, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানায়নি চসিক। ডিপিপি চূড়ান্ত হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হবে।
গত ১৯ নভেম্বর চসিকের সচিব মো. আশরাফুল আমিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়বকে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম ও সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. সরওয়ার আলম খান সদস্য হিসেবে আছেন। নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. শাফকাত বিন আমিন সদস্য–সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন।
চসিক সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ নগরকে আলোকিত করার পাশাপাশি নগর নিরাপত্তা, টহল ব্যবস্থা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও জরুরি সেবায় সমন্বিত অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটাবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগর ব্যবস্থাপনায় আধুনিক ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেমের ভিত্তি তৈরি হবে। চসিক কর্মকর্তারা বলছেন, স্মার্ট ক্যামেরা ও লাইটিং সিস্টেম চালু হলে অপরাধ দমন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিতকরণ, দুর্ঘটনা পর্যবেক্ষণ এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। বিশেষ করে জনবহুল এলাকা, সেতু, মোড় ও পরিবহন রুটগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পুলিশনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাইরে এসে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ব্যবস্থাপনায় এগিয়ে যাওয়ায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। পাশাপাশি সোলার ও নন-সোলার, দুই ধরনের বিদ্যুৎসাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে প্রকল্পটিকে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
জানতে চাইলে কমিটির সদস্য–সচিব ও নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. শাফকাত বিন আমিন বলেন, "সিসিটিভি ও লাইট বসানোর জন্য আমরা সড়কের তালিকা প্রস্তুত করছি। ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা পুরো ৪১ ওয়ার্ডকে কাভার করা—প্রথমে প্রধান সড়কগুলো, এরপর ধাপে ধাপে লেন ও বাইলেন।" চসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান সোহেল জানান, এর আগে ভারতীয় এক্সিম ব্যাংকের সহযোগিতায় সড়কবাতি স্থাপনের একটি প্রকল্প নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। নতুন উদ্যোগের অধীনে এখন ডিপিপি প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, "নগরের ৪১টি ওয়ার্ডের প্রধান সড়কগুলো এ প্রকল্পের আওতায় আসবে। গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে সোলার ও নন–সোলার স্মার্ট লাইটিংয়ের পাশাপাশি স্থাপন করা হবে সিসিটিভি নজরদারি।" চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, "আমার প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ নগর গড়া। ৪১ ওয়ার্ডে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)–ভিত্তিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন হলে শহরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ঘটবে। পাশাপাশি সোলার সড়কবাতি বিদ্যুৎ সাশ্রয় করবে এবং পরিবেশ দূষণ কমাবে।"
চুক্তির ছয় মাসেই বন্ধ ২৬০ কোটি টাকার স্মার্ট লাইটিং উদ্যোগ:
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ২০২৪ সালের ৬ জুলাই নগরের ৪৬৬ কিলোমিটার সড়ক আলোকিত করতে 'মডার্নাইজেশন অব সিটি স্ট্রিট লাইট সিস্টেম অ্যাট ডিফারেন্ট এরিয়াস আন্ডার চসিক' প্রকল্প গ্রহণ করে। ভারতের অর্থায়নে ২৬০ কোটি ৮৯ লাখ টাকার এই প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও পাঁচ মাসের মাথায় ডিসেম্বরেই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে প্রকল্পটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয় চসিক এবং এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠায়। প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত রয়েছে। ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ–ভারতের মধ্যে লাইন অব ক্রেডিট (এলওসি)–এর আওতায় ৭৩৬ কোটি মার্কিন ডলারের তিনটি ঋণচুক্তি কার্যকর রয়েছে। এর মধ্যে এই প্রকল্পে এলওসি–৩ থেকে ভারতের এক্সিম ব্যাংক সরবরাহ করবে ২১৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকা; বাকি ৪৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা দেবে বাংলাদেশ সরকার।
টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ২০১৭ সালে ভারতের এনার্জি ইফিসিয়েন্সি সার্ভিস লিমিটেড (ইইএসএল) ও বাংলাদেশ টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর চসিক এ প্রকল্প হাতে নেয়। ২০১৯ সালের ৯ জুলাই একনেকে অনুমোদন এবং ২০২৩ সালের ৬ জুলাই ভারতীয় কোম্পানি 'শাপার্জি পালোনজি অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড'-এর সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়। প্রকল্পের আওতায় ৪১ ওয়ার্ডে ২০,৬০০টি এলইডি বাতি; ২০,২৬৭টি জিআই পোল; ৫০৭টি কন্ট্রোল সুইচবক্স বসানো এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি সংগ্রহের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র–জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ভারতীয় ঠিকাদাররা বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। এরপর আগস্টে সরকার পরিবর্তনের পর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দিলে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন