দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ৩ থেকে ৪ বছর পর দেশের বিদ্যুৎ খাতে তীব্র সংকটের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, আগামীর সরকারের জন্য জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ভারসাম্য আনাই বড় চ্যালেঞ্জ হবে। বুধবার (১৯ নভেম্বর। রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা।
বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। এর বিপরীতে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট। কিন্তু প্রাথমিক জ্বালানি নিশ্চিত না করায় বড় ধরনের লোডশেডিং হয় প্রতি গ্রীষ্মকালে।
২০১৮ সালে বিদ্যুৎ খাতে জ্বালানির আমদানি নির্ভরতা ছিলো ১৫ ভাগ, যা বর্তমানে ৬০ ভাগ ছাড়িয়েছে। অভ্যন্তরীণ গ্যাসের উৎপাদন কমায় আমদানি নির্ভরতা দ্রুত বেড়েছে। ৫ থেকে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরলেও ২০৩০ সাল নাগাদ বিদ্যুতের চাহিদা হবে সক্ষমতার চেয়ে বেশি। কেননা এ সময়ে বেশকিছু পুরোনো বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে থাকবে না।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, গ্যাস সংকটের কারণে রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হারাচ্ছে দেশের শিল্প খাত। ইউরোপের ক্রেতারা নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের তাগিদ দিচ্ছে। আমরাও বিজিএমইএ সদস্যদের সৌর বিদ্যুতে উৎসাহিত করছি। কিন্তু অনেক সরঞ্জাম আমদানিতে শুল্ক দিতে হয় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতীতে প্রাথমিক জ্বালানির ব্যবস্থা না করেই অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। এছাড়া টাকার বড় ধরনের অবমূল্যায়ন অতিরিক্ত চাপ তৈরি করেছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম. তামিম বলেন, সংকট সমাধানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি পথ দেখাতে পারতো। কিন্তু এ নিয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা চোখে পড়েনি। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ২০২৯ সালের পর বিদ্যুৎ খাত আরও ঝুঁকিতে পড়বে।
কনফিডেন্স পাওয়ার রংপুর লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইমরান করিম বলেন, প্রতিবেশি দেশগুলোতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১০ থেকে ১৪ টাকা। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর জ্বালানি দিয়ে বাংলাদেশে তা বিক্রি হচ্ছে ৯ টাকার নিচে। সেই সঙ্গে নীতির ধারাবাহিকতা না থাকায় বেসরকারি বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। এর বিপরীতে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট। কিন্তু প্রাথমিক জ্বালানি নিশ্চিত না করায় বড় ধরনের লোডশেডিং হয় প্রতি গ্রীষ্মকালে।
২০১৮ সালে বিদ্যুৎ খাতে জ্বালানির আমদানি নির্ভরতা ছিলো ১৫ ভাগ, যা বর্তমানে ৬০ ভাগ ছাড়িয়েছে। অভ্যন্তরীণ গ্যাসের উৎপাদন কমায় আমদানি নির্ভরতা দ্রুত বেড়েছে। ৫ থেকে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরলেও ২০৩০ সাল নাগাদ বিদ্যুতের চাহিদা হবে সক্ষমতার চেয়ে বেশি। কেননা এ সময়ে বেশকিছু পুরোনো বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে থাকবে না।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, গ্যাস সংকটের কারণে রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হারাচ্ছে দেশের শিল্প খাত। ইউরোপের ক্রেতারা নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের তাগিদ দিচ্ছে। আমরাও বিজিএমইএ সদস্যদের সৌর বিদ্যুতে উৎসাহিত করছি। কিন্তু অনেক সরঞ্জাম আমদানিতে শুল্ক দিতে হয় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতীতে প্রাথমিক জ্বালানির ব্যবস্থা না করেই অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। এছাড়া টাকার বড় ধরনের অবমূল্যায়ন অতিরিক্ত চাপ তৈরি করেছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম. তামিম বলেন, সংকট সমাধানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি পথ দেখাতে পারতো। কিন্তু এ নিয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা চোখে পড়েনি। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ২০২৯ সালের পর বিদ্যুৎ খাত আরও ঝুঁকিতে পড়বে।
কনফিডেন্স পাওয়ার রংপুর লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইমরান করিম বলেন, প্রতিবেশি দেশগুলোতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১০ থেকে ১৪ টাকা। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর জ্বালানি দিয়ে বাংলাদেশে তা বিক্রি হচ্ছে ৯ টাকার নিচে। সেই সঙ্গে নীতির ধারাবাহিকতা না থাকায় বেসরকারি বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে