কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের রাজনীতিকে ভয়াবহভাবে বিভক্ত করে ফেলেছে, যেখানে নিবন্ধিত দল রয়েছে ৪০-৫০টি, অথচ আলোচনায় ডাকা হয় মাত্র দুই-তিনটি দলকে।
রোববার (১৬ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৫ মাস হলো— সরকার ডাকলেও আর যাই না। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত সরকারের কোনো ডাকে আলোচনায় যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। তাঁর মতে, সংলাপে তিনি এসেছেন শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক অবস্থানকে সম্মান জানাতে।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, অতীতে এমন পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল যেন— ‘শেখ হাসিনা মানেই বাংলাদেশ, শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ মানেই বাংলাদেশ।’ কিন্তু আজ শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হলেও রাষ্ট্র, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ অটুট রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে হয়রানির প্রসঙ্গে তিনি ইসিকে সতর্ক করে বলেন, জয় বাংলা বলার জন্য মানুষকে জেলে নিলে ইতিহাসের কাছে জবাব আপনাদেরই দিতে হবে।
তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার পর ইসি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান— সরকার তখন ইসির অধীনেই থাকে।
তার অভিযোগ— অতীতের নির্বাচন কমিশন সরকার-নির্ভর ছিল, স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি।
নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, গত নির্বাচনে তার কাছে থাকা ২১টি কেন্দ্রের সিল করা ফলাফলে রাত ৪টা ১৩ মিনিটে ১৭০৮ ভোট দেখানো হলেও পরে তা বেড়ে হয় ২৬০০। ‘আগের কমিশনকে বলিনি, কারণ তারা কিছুই করতে পারত না’, বলেন তিনি।
আন্দোলনের শক্তি স্বীকার করলেও তিনি এনসিপির রাজনৈতিক আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, অন্যায়ের শাস্তি হবে, কিন্তু আন্দোলনের কারণে কাউকে শাস্তি দেওয়া ঠিক হবে না।
তিনি আরও বলেন, আমার বোন শেখ হাসিনা আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করেছিলেন— তাই তার ক্ষমতা আল্লাহই সরিয়ে দিয়েছেন।
গণভোটে চারটি প্রশ্ন দেওয়া ও ভোটারদের বিভ্রান্তি নিয়ে তিনি বলেন, মানুষ কি দুইটায় হ্যাঁ, দুইটায় না দিতে পারবে? জনগণ জানে না।
তার আশঙ্কা— ৭০–৮০% ভোটার অংশ না নিলে পুরো নির্বাচনই প্রশ্নের মুখে পড়বে।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, জাতীয় পার্টিকে বাদ দিলে বড় জনসমর্থনের একটি অংশ ছিটকে যাবে। ১৩–১৫ শতাংশ ভোট আছে তাদের— বাম দলগুলোও বাদ দিলে চলবে না।
তিনি জানান, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের সরকার কখনো তাদের ডাকে না— যদিও তারা নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল।
রাজনৈতিক সমালোচনার পাশাপাশি তিনি বলেন, আমি কাউকে শত্রু মনে করি না— শেখ হাসিনাকেও না। সব নারী আমার কাছে মায়ের মতো সম্মানিত।
শেষে কাদের সিদ্দিকী নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা যদি জনগণকে ভোট দিতে দিতে পারেন— বাংলাদেশ সুইজারল্যান্ডের চেয়েও শান্ত দেশ হবে।
মানুষ তিনবার ভোট দিতে পারেনি— এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বেদনা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
রোববার (১৬ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৫ মাস হলো— সরকার ডাকলেও আর যাই না। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত সরকারের কোনো ডাকে আলোচনায় যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। তাঁর মতে, সংলাপে তিনি এসেছেন শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক অবস্থানকে সম্মান জানাতে।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, অতীতে এমন পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল যেন— ‘শেখ হাসিনা মানেই বাংলাদেশ, শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ মানেই বাংলাদেশ।’ কিন্তু আজ শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হলেও রাষ্ট্র, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ অটুট রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে হয়রানির প্রসঙ্গে তিনি ইসিকে সতর্ক করে বলেন, জয় বাংলা বলার জন্য মানুষকে জেলে নিলে ইতিহাসের কাছে জবাব আপনাদেরই দিতে হবে।
তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার পর ইসি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান— সরকার তখন ইসির অধীনেই থাকে।
তার অভিযোগ— অতীতের নির্বাচন কমিশন সরকার-নির্ভর ছিল, স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি।
নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, গত নির্বাচনে তার কাছে থাকা ২১টি কেন্দ্রের সিল করা ফলাফলে রাত ৪টা ১৩ মিনিটে ১৭০৮ ভোট দেখানো হলেও পরে তা বেড়ে হয় ২৬০০। ‘আগের কমিশনকে বলিনি, কারণ তারা কিছুই করতে পারত না’, বলেন তিনি।
আন্দোলনের শক্তি স্বীকার করলেও তিনি এনসিপির রাজনৈতিক আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, অন্যায়ের শাস্তি হবে, কিন্তু আন্দোলনের কারণে কাউকে শাস্তি দেওয়া ঠিক হবে না।
তিনি আরও বলেন, আমার বোন শেখ হাসিনা আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করেছিলেন— তাই তার ক্ষমতা আল্লাহই সরিয়ে দিয়েছেন।
গণভোটে চারটি প্রশ্ন দেওয়া ও ভোটারদের বিভ্রান্তি নিয়ে তিনি বলেন, মানুষ কি দুইটায় হ্যাঁ, দুইটায় না দিতে পারবে? জনগণ জানে না।
তার আশঙ্কা— ৭০–৮০% ভোটার অংশ না নিলে পুরো নির্বাচনই প্রশ্নের মুখে পড়বে।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, জাতীয় পার্টিকে বাদ দিলে বড় জনসমর্থনের একটি অংশ ছিটকে যাবে। ১৩–১৫ শতাংশ ভোট আছে তাদের— বাম দলগুলোও বাদ দিলে চলবে না।
তিনি জানান, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের সরকার কখনো তাদের ডাকে না— যদিও তারা নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল।
রাজনৈতিক সমালোচনার পাশাপাশি তিনি বলেন, আমি কাউকে শত্রু মনে করি না— শেখ হাসিনাকেও না। সব নারী আমার কাছে মায়ের মতো সম্মানিত।
শেষে কাদের সিদ্দিকী নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা যদি জনগণকে ভোট দিতে দিতে পারেন— বাংলাদেশ সুইজারল্যান্ডের চেয়েও শান্ত দেশ হবে।
মানুষ তিনবার ভোট দিতে পারেনি— এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বেদনা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে