২০০৮ সালের পর বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে আর কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়নি। তবে আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ সিরিজ দিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর বগুড়ার মাটিতে ফিরেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট।
দীর্ঘদিন পর আবারও আন্তর্জাতিক ম্যাচ হওয়ায় ম্যাচ দেখতে স্টেডিয়ামে ছিল মানুষের লক্ষ্যণীয় ভিড়। মধ্য কার্তিকের রোদ উপেক্ষা করে মাঠে এসেছে বিভিন্ন বয়সী দর্শক।
খেলা দেখার জন্য কোন টিকিটের ব্যবস্থা না থাকায় স্টেডিয়ামের বেশিরভাগ গ্যালারি ছিল দর্শকের সরব উপস্থিতি। সকালের দিকে দর্শক উপস্থিতি কিছুটা কম হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে। বাংলাদেশ ইনিংসে দর্শক আরও বলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উচ্ছ্বাসিত দর্শকরা বলছেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমলে শুধুমাত্র প্রতিহিংসার কারণে এমন আন্তর্জাতিক একটি মাঠকে উপেক্ষা করা হয়েছে। দেশের অন্যান্য যেকোন আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের তুলনায় বগুড়ার শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়াম কোন দিক দিয়েই পিছিয়ে নেয়। শুধু রাজনৈতিক কারণে বগুড়ার মানুষকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
তারা বলছেন, ফ্লাড লাইটসহ অবকাঠামোগত অবশিষ্ট কাজগুলো দ্রুত সম্পন্ন করে এই মাঠে জাতীয় দলের আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করা হোক।
এদিকে এত বছর পর আবারও আন্তর্জাতিক ম্যাচ ফেরায় শহরে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। স্টেডিয়াম এলাকার আশেপাশেও তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
স্থানীয়রা মনে করছেন, এই আয়োজন সফল হলে ভবিষ্যতে জাতীয় দলের ম্যাচও বগুড়ায় আয়োজনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ক্রিকেটের প্রাণ ফিরবে এই ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন পুন্ড্রনগরে।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকালে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আফগান যুব দল। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ ইউকেটে ২৬৫ রান করেছে তারা।
দলের পক্ষে উজাইরউল্লাহ সর্বোচ্চ ১৪০ করে অপরাজিত থাকেন, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান আসে ফয়সালের ব্যাট থেকে। বাংলাদেশ দলের পক্ষে ইমন ৫ ও রিজান ২ উইকেট তুলে নেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন/এসকে
দীর্ঘদিন পর আবারও আন্তর্জাতিক ম্যাচ হওয়ায় ম্যাচ দেখতে স্টেডিয়ামে ছিল মানুষের লক্ষ্যণীয় ভিড়। মধ্য কার্তিকের রোদ উপেক্ষা করে মাঠে এসেছে বিভিন্ন বয়সী দর্শক।
খেলা দেখার জন্য কোন টিকিটের ব্যবস্থা না থাকায় স্টেডিয়ামের বেশিরভাগ গ্যালারি ছিল দর্শকের সরব উপস্থিতি। সকালের দিকে দর্শক উপস্থিতি কিছুটা কম হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে। বাংলাদেশ ইনিংসে দর্শক আরও বলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উচ্ছ্বাসিত দর্শকরা বলছেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমলে শুধুমাত্র প্রতিহিংসার কারণে এমন আন্তর্জাতিক একটি মাঠকে উপেক্ষা করা হয়েছে। দেশের অন্যান্য যেকোন আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের তুলনায় বগুড়ার শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়াম কোন দিক দিয়েই পিছিয়ে নেয়। শুধু রাজনৈতিক কারণে বগুড়ার মানুষকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
তারা বলছেন, ফ্লাড লাইটসহ অবকাঠামোগত অবশিষ্ট কাজগুলো দ্রুত সম্পন্ন করে এই মাঠে জাতীয় দলের আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করা হোক।
এদিকে এত বছর পর আবারও আন্তর্জাতিক ম্যাচ ফেরায় শহরে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। স্টেডিয়াম এলাকার আশেপাশেও তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
স্থানীয়রা মনে করছেন, এই আয়োজন সফল হলে ভবিষ্যতে জাতীয় দলের ম্যাচও বগুড়ায় আয়োজনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ক্রিকেটের প্রাণ ফিরবে এই ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন পুন্ড্রনগরে।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকালে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আফগান যুব দল। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ ইউকেটে ২৬৫ রান করেছে তারা।
দলের পক্ষে উজাইরউল্লাহ সর্বোচ্চ ১৪০ করে অপরাজিত থাকেন, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান আসে ফয়সালের ব্যাট থেকে। বাংলাদেশ দলের পক্ষে ইমন ৫ ও রিজান ২ উইকেট তুলে নেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন/এসকে