সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে কবরস্থান থেকে ১৬টি মানবকঙ্কাল চুরির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২০ অক্টোবর) রাতে উপজেলার বেলতৈল ইউনিয়নের কুঠি সাতবাড়িয়া কবরস্থান থেকে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
কবরস্থান পরিচালনা কমিটি ও এলাকাবাসী জানায়, রাতের কোনো একসময় ১৬টি কবর খুঁড়ে কঙ্কালগুলো চুরি করে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে চোরদের ফেলে যাওয়া একটি ট্রাউজার, গেঞ্জি এবং কবর খোঁড়ার যন্ত্র পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় এখনও কাউকে শনাক্ত করা যায়নি।
পরদিন মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে স্থানীয় মসজিদের মুসল্লিরা ফজরের নামাজ শেষে কবরস্থানে গেলে বেশ কয়েকটি কবরের মাটি খোঁড়া দেখতে পান। কাছ থেকে গিয়ে তারা বুঝতে পারেন, কবরগুলো থেকে কঙ্কালগুলো চুরি হয়ে গেছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কবরস্থানে স্থানীয়দের ভিড় জমে।
স্থানীয় স্কুলশিক্ষক ছানোয়ার হোসেন জানান, যেসব কবর থেকে কঙ্কাল চুরি হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে অধিকাংশেই গত ১ থেকে দেড় বছরের মধ্যে মৃত ব্যক্তিদের দাফন করা হয়েছিল।
কবরস্থান পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ খোকন সরকার, সদস্য গোলজার হোসেন এবং স্থানীয় মুসল্লি আব্দুস ছামাদ জানান, রাতে কবরগুলো খুঁড়ে মাথা থেকে কোমর পর্যন্ত অংশের কঙ্কাল নিয়ে যায় চোরেরা। পরদিন সকালে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে কবরগুলো পুনরায় মাটি দিয়ে ঢেকে দেন।
এ ঘটনায় কবরস্থান পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম আলী বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
কবরস্থান পরিচালনা কমিটি ও এলাকাবাসী জানায়, রাতের কোনো একসময় ১৬টি কবর খুঁড়ে কঙ্কালগুলো চুরি করে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে চোরদের ফেলে যাওয়া একটি ট্রাউজার, গেঞ্জি এবং কবর খোঁড়ার যন্ত্র পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় এখনও কাউকে শনাক্ত করা যায়নি।
পরদিন মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে স্থানীয় মসজিদের মুসল্লিরা ফজরের নামাজ শেষে কবরস্থানে গেলে বেশ কয়েকটি কবরের মাটি খোঁড়া দেখতে পান। কাছ থেকে গিয়ে তারা বুঝতে পারেন, কবরগুলো থেকে কঙ্কালগুলো চুরি হয়ে গেছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কবরস্থানে স্থানীয়দের ভিড় জমে।
স্থানীয় স্কুলশিক্ষক ছানোয়ার হোসেন জানান, যেসব কবর থেকে কঙ্কাল চুরি হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে অধিকাংশেই গত ১ থেকে দেড় বছরের মধ্যে মৃত ব্যক্তিদের দাফন করা হয়েছিল।
কবরস্থান পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ খোকন সরকার, সদস্য গোলজার হোসেন এবং স্থানীয় মুসল্লি আব্দুস ছামাদ জানান, রাতে কবরগুলো খুঁড়ে মাথা থেকে কোমর পর্যন্ত অংশের কঙ্কাল নিয়ে যায় চোরেরা। পরদিন সকালে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে কবরগুলো পুনরায় মাটি দিয়ে ঢেকে দেন।
এ ঘটনায় কবরস্থান পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম আলী বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে