বিউটি পার্লারে লোভনীয় চাকরির মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে ভারতে পাচার হওয়া দুই বাংলাদেশি তরুণীকে উদ্ধার করেছে পুনে পুলিশ। ভারতে আনার পর তাদের দেহব্যবসার অন্ধকার জগতে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, কাত্রজ এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে এক তরুণী নিজেই পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ফোন করে সাহায্য চান। পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে আম্বেগাঁও পাঠার এলাকার অন্য একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে দ্বিতীয় তরুণীকেও উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রজু পাটিল নামের এক ব্যক্তিকে ধনকাওয়াদি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালত তাকে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছে। পুলিশ বর্তমানে তার স্ত্রীকে খুঁজছে। তিনি এই আন্তঃদেশীয় পাচারচক্রের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
ভারতী বিদ্যাপীঠ থানায় এই মামলা নথিবদ্ধ করা হয়েছে। সহকারী পুলিশ ইন্সপেক্টর স্বপনিল পাটিল এবং সিনিয়র ইন্সপেক্টর রাহুলকুমার খিলারের নেতৃত্বে দ্রুত পদক্ষেপের ফলেই দুই তরুণী নিরাপদে মুক্তি পেয়েছে।
পুলিশের ধারণা, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গত কয়েক মাসে পুনে শহরের বুধওয়ার পেথ, কাত্রজ, আম্বেগাঁও সহ বিভিন্ন এলাকায় একই ধরনের পাচার নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে। অননুমোদিত এজেন্ট, জাল নথি এবং স্থানীয় হোস্টদের মাধ্যমে সীমান্ত পারাপার করিয়ে একটি আন্তঃদেশীয় পাচারচক্র সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
উদ্ধারকৃত তরুণীদের শারীরিক পরীক্ষা, মানসিক সহায়তা ও পুনর্বাসনের কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। এনজিও এবং সামাজিক সেবা দপ্তর যৌথভাবে তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করছে।
মানবাধিকারকর্মীরা এই ঘটনাকে শুধু অপরাধ নয়, একটি মানবিক সংকট হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, চাকরির আশায় সীমান্ত পেরনো যুবতীদের প্রতারণার শিকার হওয়া রোধ করতে সীমান্ত নজরদারি, অনলাইন বিজ্ঞাপনের যাচাই এবং স্থানীয় মালিকদের দায়িত্ববোধ বাড়ানো জরুরি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন/এসকে
পুলিশ জানিয়েছে, কাত্রজ এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে এক তরুণী নিজেই পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ফোন করে সাহায্য চান। পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে আম্বেগাঁও পাঠার এলাকার অন্য একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে দ্বিতীয় তরুণীকেও উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রজু পাটিল নামের এক ব্যক্তিকে ধনকাওয়াদি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালত তাকে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছে। পুলিশ বর্তমানে তার স্ত্রীকে খুঁজছে। তিনি এই আন্তঃদেশীয় পাচারচক্রের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
ভারতী বিদ্যাপীঠ থানায় এই মামলা নথিবদ্ধ করা হয়েছে। সহকারী পুলিশ ইন্সপেক্টর স্বপনিল পাটিল এবং সিনিয়র ইন্সপেক্টর রাহুলকুমার খিলারের নেতৃত্বে দ্রুত পদক্ষেপের ফলেই দুই তরুণী নিরাপদে মুক্তি পেয়েছে।
পুলিশের ধারণা, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গত কয়েক মাসে পুনে শহরের বুধওয়ার পেথ, কাত্রজ, আম্বেগাঁও সহ বিভিন্ন এলাকায় একই ধরনের পাচার নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে। অননুমোদিত এজেন্ট, জাল নথি এবং স্থানীয় হোস্টদের মাধ্যমে সীমান্ত পারাপার করিয়ে একটি আন্তঃদেশীয় পাচারচক্র সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
উদ্ধারকৃত তরুণীদের শারীরিক পরীক্ষা, মানসিক সহায়তা ও পুনর্বাসনের কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। এনজিও এবং সামাজিক সেবা দপ্তর যৌথভাবে তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করছে।
মানবাধিকারকর্মীরা এই ঘটনাকে শুধু অপরাধ নয়, একটি মানবিক সংকট হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, চাকরির আশায় সীমান্ত পেরনো যুবতীদের প্রতারণার শিকার হওয়া রোধ করতে সীমান্ত নজরদারি, অনলাইন বিজ্ঞাপনের যাচাই এবং স্থানীয় মালিকদের দায়িত্ববোধ বাড়ানো জরুরি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন/এসকে