আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরীর বাসায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের যাওয়া স্বাভাবিক কূটনৈতিক আচরণের অংশ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।
বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘রাষ্ট্রদূতরা বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি কিংবা সাবেক সংসদ সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন— এটি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রথার অংশ। এতে অস্বাভাবিক কিছু নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার রাষ্ট্রদূতদের এমন সাক্ষাৎকে সন্দেহের চোখে দেখে না। যতক্ষণ পর্যন্ত এ ধরনের সাক্ষাৎ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ সৃষ্টি না করে, ততক্ষণ এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।’
সম্প্রতি ঢাকায় নিযুক্ত কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত সাবের হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দলীয় কার্যক্রম স্থগিত থাকা অবস্থায় এ সাক্ষাৎ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়।
তবে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, কূটনৈতিক সম্পর্ক রক্ষায় উন্মুক্ত ও ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখাই সরকারের নীতি।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘রাষ্ট্রদূতরা বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি কিংবা সাবেক সংসদ সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন— এটি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রথার অংশ। এতে অস্বাভাবিক কিছু নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার রাষ্ট্রদূতদের এমন সাক্ষাৎকে সন্দেহের চোখে দেখে না। যতক্ষণ পর্যন্ত এ ধরনের সাক্ষাৎ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ সৃষ্টি না করে, ততক্ষণ এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।’
সম্প্রতি ঢাকায় নিযুক্ত কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত সাবের হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দলীয় কার্যক্রম স্থগিত থাকা অবস্থায় এ সাক্ষাৎ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়।
তবে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, কূটনৈতিক সম্পর্ক রক্ষায় উন্মুক্ত ও ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখাই সরকারের নীতি।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে