বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মোট ৫১৯ ট্রাক পণ্যের আমদানি-রফতানি হয়েছে শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর)। একই দিনে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী ২ হাজার ২২৬ জন যাত্রী যাতায়াত করেছেন। এতে আমদানি থেকে সরকারের প্রায় ৫ কোটি টাকা এবং ভ্রমণ খাত থেকে আরও প্রায় ২০ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বন্দর পরিচালক বেনাপোল রুটে বাণিজ্য ও যাত্রী চলাচলের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বেনাপোল ও ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে পণ্য পরিবহন কার্যক্রম চলে। এর মধ্যে ভারত থেকে আমদানি হয়েছে ৪৪৯ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের পণ্য। আমদানিকৃত পণ্যের মধ্যে ছিল শিল্পকারখানার কাঁচামাল, তৈরি পোশাক, কেমিকেল, কসমেটিকস, গার্মেন্টস সামগ্রী, শিশু খাদ্য, যন্ত্রপাতি ও মাছ।
এদিন বাংলাদেশ থেকে ভারতে রফতানি হয়েছে ৭০ ট্রাক পণ্য। রফতানিকৃত পণ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ইলিশ, বসুন্ধরা টিসু, কাঁচা লোহা, ওয়ালটন ফ্রিজ, জুতা, কেমিকেল ও মাছ। গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে দুই দেশের বাণিজ্যে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা থাকায় আমদানি-রফতানি ও পাসপোর্টধারী যাতায়াত অর্ধেকে নেমে এসেছে।
ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, শনিবার ভোর সাড়ে ৬টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে মোট ২ হাজার ২২৬ জন পাসপোর্টধারী যাতায়াত করেছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ভারতে গেছেন ১ হাজার ৭৩ জন এবং ভারত থেকে ফিরেছেন ১ হাজার ১৫৩ জন। ৫ আগস্টের পর ভিসা জটিলতার কারণে যাতায়াত কমে গেলেও দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাম্প্রতিক সময়ে তা কিছুটা বেড়েছে।
এদিকে বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাইদুর রহমান জানান, চলতি বছরের ২৪ সেপ্টেম্বরের পর থেকে এ পর্যন্ত রেলপথে ভারত থেকে কোনো পণ্য আমদানি হয়নি। এছাড়া গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে ঢাকা-বেনাপোল-কলকাতা রুটে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন/এসকে
বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বেনাপোল ও ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে পণ্য পরিবহন কার্যক্রম চলে। এর মধ্যে ভারত থেকে আমদানি হয়েছে ৪৪৯ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের পণ্য। আমদানিকৃত পণ্যের মধ্যে ছিল শিল্পকারখানার কাঁচামাল, তৈরি পোশাক, কেমিকেল, কসমেটিকস, গার্মেন্টস সামগ্রী, শিশু খাদ্য, যন্ত্রপাতি ও মাছ।
এদিন বাংলাদেশ থেকে ভারতে রফতানি হয়েছে ৭০ ট্রাক পণ্য। রফতানিকৃত পণ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ইলিশ, বসুন্ধরা টিসু, কাঁচা লোহা, ওয়ালটন ফ্রিজ, জুতা, কেমিকেল ও মাছ। গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে দুই দেশের বাণিজ্যে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা থাকায় আমদানি-রফতানি ও পাসপোর্টধারী যাতায়াত অর্ধেকে নেমে এসেছে।
ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, শনিবার ভোর সাড়ে ৬টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে মোট ২ হাজার ২২৬ জন পাসপোর্টধারী যাতায়াত করেছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ভারতে গেছেন ১ হাজার ৭৩ জন এবং ভারত থেকে ফিরেছেন ১ হাজার ১৫৩ জন। ৫ আগস্টের পর ভিসা জটিলতার কারণে যাতায়াত কমে গেলেও দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাম্প্রতিক সময়ে তা কিছুটা বেড়েছে।
এদিকে বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাইদুর রহমান জানান, চলতি বছরের ২৪ সেপ্টেম্বরের পর থেকে এ পর্যন্ত রেলপথে ভারত থেকে কোনো পণ্য আমদানি হয়নি। এছাড়া গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে ঢাকা-বেনাপোল-কলকাতা রুটে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন/এসকে