রাজধানীর একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের হোস্টেল থেকে নিদা খান (১৯) নামে এক ভারতীয় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
এর আগে শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আদ-দ্বীন মোমেন মেডিকেল কলেজের হোস্টেল থেকে নিদা খানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ভারতীয় ওই শিক্ষার্থী।
আদ-দ্বীন মোমেন মেডিকেল কলেজের এজিএম সিদ্দিকুর রহমান জানান, নিদা খান ভারতের রাজস্থানের নাগরিক। সে মেডিকেল কলেজটির এমবিবিএস ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী। তার বাবার নাম আব্দুল আজিজ খান।
সিদ্দিকুর রহমান আরও জানান, আদ-দ্বীন মোমেন মেডিকেল কলেজের ক্যাম্পাস দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা এলাকায়। সেখানে ফরেন হোস্টেলে থাকতেন নিদা খান। তার রুমমেটরাও ভারতীয় নাগরিক। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রুমমেটদের সঙ্গে পড়ালেখা নিয়ে আলোচনাও করেছিলেন নিদা খান। এরপর নিজ রুমে চলে যায়।
পরবর্তীতে রাত ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত তার পাশের রুমের শিক্ষার্থীরা তাকে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়াশব্দ পাননি। একপর্যায়ে রাত ২টার দিকে হোস্টেল সুপারসহ কলেজ কর্তৃপক্ষ ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে নিদা খানের রুমের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকেন। ওই সময় নিদাকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস নেয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে সঙ্গে সঙ্গে থানায় খবর দেয়া হয়।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ছরোয়ার হোসেন জানান, রাতে খবর পেয়ে কলেজটির ফরেন হোস্টেল থেকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ইতোমধ্যে সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, শনিবার অনুষ্ঠিত একটি পরীক্ষায় নিদা খানকে নকল করার অভিযোগে পরীক্ষার হল থেকে বের করে দেয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে সারাদিন হতাশায় ছিলেন তিনি। এর জেরে তিনি রাতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। তবে এর পেছনে অন্য কোনো ঘটনা বা কারণ আছে কিনা, তা বিস্তারিত তদন্তের পর বলা যাবে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এএ/এসকে
এর আগে শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আদ-দ্বীন মোমেন মেডিকেল কলেজের হোস্টেল থেকে নিদা খানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ভারতীয় ওই শিক্ষার্থী।
আদ-দ্বীন মোমেন মেডিকেল কলেজের এজিএম সিদ্দিকুর রহমান জানান, নিদা খান ভারতের রাজস্থানের নাগরিক। সে মেডিকেল কলেজটির এমবিবিএস ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী। তার বাবার নাম আব্দুল আজিজ খান।
সিদ্দিকুর রহমান আরও জানান, আদ-দ্বীন মোমেন মেডিকেল কলেজের ক্যাম্পাস দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা এলাকায়। সেখানে ফরেন হোস্টেলে থাকতেন নিদা খান। তার রুমমেটরাও ভারতীয় নাগরিক। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রুমমেটদের সঙ্গে পড়ালেখা নিয়ে আলোচনাও করেছিলেন নিদা খান। এরপর নিজ রুমে চলে যায়।
পরবর্তীতে রাত ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত তার পাশের রুমের শিক্ষার্থীরা তাকে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়াশব্দ পাননি। একপর্যায়ে রাত ২টার দিকে হোস্টেল সুপারসহ কলেজ কর্তৃপক্ষ ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে নিদা খানের রুমের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকেন। ওই সময় নিদাকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস নেয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে সঙ্গে সঙ্গে থানায় খবর দেয়া হয়।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ছরোয়ার হোসেন জানান, রাতে খবর পেয়ে কলেজটির ফরেন হোস্টেল থেকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ইতোমধ্যে সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, শনিবার অনুষ্ঠিত একটি পরীক্ষায় নিদা খানকে নকল করার অভিযোগে পরীক্ষার হল থেকে বের করে দেয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে সারাদিন হতাশায় ছিলেন তিনি। এর জেরে তিনি রাতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। তবে এর পেছনে অন্য কোনো ঘটনা বা কারণ আছে কিনা, তা বিস্তারিত তদন্তের পর বলা যাবে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এএ/এসকে