যুক্তরাষ্ট্রের পার্ল বিশ্বে জীবিত সবচেয়ে বয়স্ক মুরগি। ঘরে পালা মুরগি ৩ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত বাঁচলেও পার্ল এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। গুনে গুনে ১৪ বছরের বেশি বয়স তার।
পার্ল যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের বাসিন্দা সোনিয়া হালের পালা মুরগি। পার্লের গর্বিত মালিক সোনিয়ার বাড়ি টেক্সাসের লিটল এলমে। তিনি বলেন, ২০১১ সালের ১৩ মার্চ তার বাড়িতে একটি ইনকিউবেটরে ডিম থেকে পার্লের জন্ম হয়। সেটি ছিল ওই সময় ইনকিউবেটরে ফোটা মুরগির বাচ্চাগুলোর মধ্যে আকারে সবচেয়ে ছোট।
শুধু আকারে ছোট নয়, পার্ল জন্মের পর থেকেই বেশ দুর্বল ছিল বলেও জানান সোনিয়া। এই নারী বলেন, মুরগির মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের একটা ব্যাপার থাকে। শক্তিশালী মুরগি তার চেয়ে দুর্বল মুরগির ওপর আধিপত্য দেখায়। অন্য মুরগিরা সবসময় তার পেছনে লেগে থাকত।
পার্ল যখন বুড়িয়ে যেতে শুরু করে, তখন সোনিয়ার পরিবার সেটিকে আর মুরগির খামারে না রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। তারা সেটিকে বাড়ির ভেতরে রাখতে শুরু করে। সোনিয়া বলেন, পার্ল নিজের দীর্ঘ জীবনে অনেক কিছু সহ্য করেছে।
গত ২২ মে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ পার্লকে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মুরগির স্বীকৃতি দেয়। সেদিন সেটির বয়স হয়েছিল ১৪ বছর ৬৯ দিন। ১২ আগস্ট গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে পার্লের স্বীকৃতি পাওয়া নিয়ে খবর প্রকাশ পায়।
সোনিয়া কৌতুক করে বলেন, গিনেস বুকে নাম ওঠার বিষয়টি পার্লের মাথা ঘুরিয়ে দেয়নি। হাসতে হাসতে তিনি আরও বলেন, ‘সেটিকে দেখে তো মনে হচ্ছে না এ নিয়ে তার কোনো মাথাব্যথা আছে।’
এখন পার্লের সময় কাটে সোনিয়ার লন্ড্রি রুমে। এটি বাড়ির বাইরে খুব একটা যায় না। লন্ড্রি রুমের ভেতর সেটি বেশিরভাগ সময় একটি ঘর মোছার লাঠির সঙ্গে খেলে। সেখানে একটি বুড়ো বিড়াল আর একটি সদ্যোজাত বিড়ালের ছানাও রয়েছে।
অনেক বয়স হয়ে যাওয়ার কারণে পার্ল খুব বেশি হাঁটতে পারে না বলে জানান সোনিয়া। কিন্তু চলাফেরা করতে পারে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
পার্ল যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের বাসিন্দা সোনিয়া হালের পালা মুরগি। পার্লের গর্বিত মালিক সোনিয়ার বাড়ি টেক্সাসের লিটল এলমে। তিনি বলেন, ২০১১ সালের ১৩ মার্চ তার বাড়িতে একটি ইনকিউবেটরে ডিম থেকে পার্লের জন্ম হয়। সেটি ছিল ওই সময় ইনকিউবেটরে ফোটা মুরগির বাচ্চাগুলোর মধ্যে আকারে সবচেয়ে ছোট।
শুধু আকারে ছোট নয়, পার্ল জন্মের পর থেকেই বেশ দুর্বল ছিল বলেও জানান সোনিয়া। এই নারী বলেন, মুরগির মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের একটা ব্যাপার থাকে। শক্তিশালী মুরগি তার চেয়ে দুর্বল মুরগির ওপর আধিপত্য দেখায়। অন্য মুরগিরা সবসময় তার পেছনে লেগে থাকত।
পার্ল যখন বুড়িয়ে যেতে শুরু করে, তখন সোনিয়ার পরিবার সেটিকে আর মুরগির খামারে না রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। তারা সেটিকে বাড়ির ভেতরে রাখতে শুরু করে। সোনিয়া বলেন, পার্ল নিজের দীর্ঘ জীবনে অনেক কিছু সহ্য করেছে।
গত ২২ মে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ পার্লকে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মুরগির স্বীকৃতি দেয়। সেদিন সেটির বয়স হয়েছিল ১৪ বছর ৬৯ দিন। ১২ আগস্ট গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে পার্লের স্বীকৃতি পাওয়া নিয়ে খবর প্রকাশ পায়।
সোনিয়া কৌতুক করে বলেন, গিনেস বুকে নাম ওঠার বিষয়টি পার্লের মাথা ঘুরিয়ে দেয়নি। হাসতে হাসতে তিনি আরও বলেন, ‘সেটিকে দেখে তো মনে হচ্ছে না এ নিয়ে তার কোনো মাথাব্যথা আছে।’
এখন পার্লের সময় কাটে সোনিয়ার লন্ড্রি রুমে। এটি বাড়ির বাইরে খুব একটা যায় না। লন্ড্রি রুমের ভেতর সেটি বেশিরভাগ সময় একটি ঘর মোছার লাঠির সঙ্গে খেলে। সেখানে একটি বুড়ো বিড়াল আর একটি সদ্যোজাত বিড়ালের ছানাও রয়েছে।
অনেক বয়স হয়ে যাওয়ার কারণে পার্ল খুব বেশি হাঁটতে পারে না বলে জানান সোনিয়া। কিন্তু চলাফেরা করতে পারে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে