মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার চক মিরপুর ইউনিয়নের মান্দারটা গ্রামে ছেলের হাতে মায়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে আপন ছেলে রবি চন্দ্র ভদ্র (৪২) নিজের মা করুনা রানী ভদ্রকে (৬২) গলা কেটে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে পারিবারিক কলহের এক পর্যায়ে মা-ছেলের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে রবি চন্দ্র ভদ্র ধারালো বটি দিয়ে বসতঘরের ভেতরেই মায়ের গলায় কোপ দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই করুনা রানী ভদ্রের মৃত্যু হয়। হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত ছেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। নিহত করুনা রানী ভদ্র মৃত ফটিক চন্দ্র ভদ্রের স্ত্রী।
এলাকাবাসী জানায়, পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক বিষয় নিয়ে মা-ছেলের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। সেই বিরোধের জেরেই এ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ.আর. এম আল মামুন জানান, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে এবং অভিযুক্ত ছেলেকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে পারিবারিক কলহের এক পর্যায়ে মা-ছেলের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে রবি চন্দ্র ভদ্র ধারালো বটি দিয়ে বসতঘরের ভেতরেই মায়ের গলায় কোপ দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই করুনা রানী ভদ্রের মৃত্যু হয়। হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত ছেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। নিহত করুনা রানী ভদ্র মৃত ফটিক চন্দ্র ভদ্রের স্ত্রী।
এলাকাবাসী জানায়, পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক বিষয় নিয়ে মা-ছেলের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। সেই বিরোধের জেরেই এ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ.আর. এম আল মামুন জানান, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে এবং অভিযুক্ত ছেলেকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন