আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে জয় নয়, কেবল বেঁচে থাকতে চান বলে মন্তব্য করেছেন গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ সমর্থিত ‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদের। তিনি সবাইকে উদ্দেশ্য করে শুধু ‘এতটুকু দয়া’ দেখানোর অনুরোধ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে কাদের এসব কথা লেখেন। এবার ডাকসু নির্বাচনে ভিপি প্রার্থীদের মধ্যে যাঁরা আলোচনায় রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম আবদুল কাদের।
ওই পোস্টে আব্দুল কাদের লিখেছেন, আমার ডাকসুতে জেতা লাগবে না, কেবল বেঁচে থাকতে চাই। এতটুকু দয়া অন্তত আমাকে দেখানোর অনুরোধ। সেই রাজাকার নিয়ে কথা বলার পর থেকেই যে শুরু হইছে, প্রতিনিয়ত সেটা আরও বাড়তেছে। তারপর থেকেই আমি ঘুমাতে পারি না, মাঝরাতে জেগে যাই; শরীর কাঁপতে থাকতে।
তিনি আরও লেখেন, একটা মানুষকে নিয়ে আর কত করবেন? মানুষের কতটুকুও বা ধৈর্য ক্ষমতা থাকে, আমি আর কতদিন নিতে পারবো জানি না। কেবল অনলাইনে এই হেনস্তাটা আমার পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকলেও মানা যাইতো, বাড়িতে গিয়ে আমার আম্মাকে পর্যন্ত কথা শুনাচ্ছেন!
কাদের লিখেছেন, ১০ দিন আগের বক্তব্য কাট করে প্রপাগান্ডা না ছড়ালেও পারতেন। পুরা বক্তব্য তুলে ধরলে বক্তব্যের সারমর্ম বুঝতে পারতো মানুষ। কেবল তো শুরু, আরও ৫ দিন বাকি। তত দিনে কি যে ঘটবে, সেটা ভাবতে গেলে আরও বেশি ট্রমাটাইজড হয়ে যাই।
আবদুল কাদের জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সমন্বয়ক হিসেবে ৯ দফা ঘোষণা করে পরিচিত হয়ে ওঠেন। গত বছর সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় সাত সমন্বয়ককে যখন আটক করে ডিবি কার্যালয়ে ধরে নেওয়া হয়েছিল, সে সময় সংবাদমাধ্যমে কাদেরের পাঠানো বার্তায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি জানানো হতে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অভ্যুত্থানে সামনের সারিতে থাকা ছাত্রদের নিয়ে আত্মপ্রকাশ করা সংগঠন বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক হন আবদুল কাদের। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের ২০১৮-১৯ সেশনের আবাসিক শিক্ষার্থী।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে কাদের এসব কথা লেখেন। এবার ডাকসু নির্বাচনে ভিপি প্রার্থীদের মধ্যে যাঁরা আলোচনায় রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম আবদুল কাদের।
ওই পোস্টে আব্দুল কাদের লিখেছেন, আমার ডাকসুতে জেতা লাগবে না, কেবল বেঁচে থাকতে চাই। এতটুকু দয়া অন্তত আমাকে দেখানোর অনুরোধ। সেই রাজাকার নিয়ে কথা বলার পর থেকেই যে শুরু হইছে, প্রতিনিয়ত সেটা আরও বাড়তেছে। তারপর থেকেই আমি ঘুমাতে পারি না, মাঝরাতে জেগে যাই; শরীর কাঁপতে থাকতে।
তিনি আরও লেখেন, একটা মানুষকে নিয়ে আর কত করবেন? মানুষের কতটুকুও বা ধৈর্য ক্ষমতা থাকে, আমি আর কতদিন নিতে পারবো জানি না। কেবল অনলাইনে এই হেনস্তাটা আমার পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকলেও মানা যাইতো, বাড়িতে গিয়ে আমার আম্মাকে পর্যন্ত কথা শুনাচ্ছেন!
কাদের লিখেছেন, ১০ দিন আগের বক্তব্য কাট করে প্রপাগান্ডা না ছড়ালেও পারতেন। পুরা বক্তব্য তুলে ধরলে বক্তব্যের সারমর্ম বুঝতে পারতো মানুষ। কেবল তো শুরু, আরও ৫ দিন বাকি। তত দিনে কি যে ঘটবে, সেটা ভাবতে গেলে আরও বেশি ট্রমাটাইজড হয়ে যাই।
আবদুল কাদের জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সমন্বয়ক হিসেবে ৯ দফা ঘোষণা করে পরিচিত হয়ে ওঠেন। গত বছর সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় সাত সমন্বয়ককে যখন আটক করে ডিবি কার্যালয়ে ধরে নেওয়া হয়েছিল, সে সময় সংবাদমাধ্যমে কাদেরের পাঠানো বার্তায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি জানানো হতে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অভ্যুত্থানে সামনের সারিতে থাকা ছাত্রদের নিয়ে আত্মপ্রকাশ করা সংগঠন বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক হন আবদুল কাদের। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের ২০১৮-১৯ সেশনের আবাসিক শিক্ষার্থী।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে