বরগুনায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মিছিল যেন থামছে না। এবার আক্রান্ত হয়ে নারায়ণ গোমস্তা (৭৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫ জনে।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বরগুনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নারায়ণ গোমস্তার মৃত্যু হয়। তিনি বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের খাজুরতলা গ্রামের বাসিন্দা। ডেঙ্গুতে জেলায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ জন।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর ) বরগুনা সিভিল সার্জন অফিসের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু বরগুনা সদর হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২৭ জন। বেতাগী ১, বামনা ৩ এবং পাথরঘাটায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৯ জন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১২৮ জন। এ বছর জেলায় এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ১৭৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬ হাজার ৪৯ জন। এ ছাড়া বরগুনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এখন পর্যন্ত ৮ জন আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বরগুনার বাইরে চিকিৎসা নিয়ে মারা গেছেন আরও ৩৭ জন। এ নিয়ে বরগুনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৫ জন।
বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, ‘বর্ষা যতদিন থাকবে জেলার হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা বাড়বে কমবে। তবে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা শূন্যের কোটায় চলে আসছিল। এখন আবার বৃদ্ধি পাচ্ছে। কবে নাগাদ ডেঙ্গু নির্মূল হবে তা বলা যাচ্ছে না। তবে সবাই সচেতন না হলে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বরগুনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নারায়ণ গোমস্তার মৃত্যু হয়। তিনি বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের খাজুরতলা গ্রামের বাসিন্দা। ডেঙ্গুতে জেলায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ জন।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর ) বরগুনা সিভিল সার্জন অফিসের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু বরগুনা সদর হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২৭ জন। বেতাগী ১, বামনা ৩ এবং পাথরঘাটায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৯ জন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১২৮ জন। এ বছর জেলায় এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ১৭৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬ হাজার ৪৯ জন। এ ছাড়া বরগুনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এখন পর্যন্ত ৮ জন আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বরগুনার বাইরে চিকিৎসা নিয়ে মারা গেছেন আরও ৩৭ জন। এ নিয়ে বরগুনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৫ জন।
বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, ‘বর্ষা যতদিন থাকবে জেলার হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা বাড়বে কমবে। তবে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা শূন্যের কোটায় চলে আসছিল। এখন আবার বৃদ্ধি পাচ্ছে। কবে নাগাদ ডেঙ্গু নির্মূল হবে তা বলা যাচ্ছে না। তবে সবাই সচেতন না হলে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন