সিলেটের পাথর লুটকাণ্ডে আলোচিত কোম্পানীগঞ্জ ও গোয়াইনঘাট থানায় কর্মরত ১১ পুলিশসহ ৩৫ সদস্যকে বদলি করা হয়েছে। বদলি হওয়া এসব পুলিশের মধ্যে ১৩ জন উপপরিদর্শক (এসআই), ৭ জন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই), ২ জন কনস্টেবল এবং ১৩ জন ড্রাইভার রয়েছেন।
সোমবার (২৫ আগস্ট_ সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের সই করা এক অফিস আদেশে এই বদলি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. রাসেলুর রহমান। তিনি বলেন, এটা স্বাভাবিক বদলিরই একটা অংশ।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সিলেট জেলা পুলিশের কোম্পানীগঞ্জ থানার ৭ জন, গোয়াইনঘাট থানার ৭ জন, বালাগঞ্জ থানার ২ জন, ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ২ জন, বিয়ানীবাজার থানার ২ জন, গোলাপগঞ্জ থানার ১ জন, গোলাপগঞ্জের কুশিয়ারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ২ জন ও আর জেলার মোটরযান শাখার ১২ জন ড্রাইভারকে জেলার বিভিন্ন থানায় বদলি করা হয়েছে।
এর আগে সিলেটের সাদাপাথর ও জাফলংয়ে চলে অবাধে লুটপাট। যার খবর গণমাধ্যমে প্রচার হলে দেশব্যাপী আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়। এটি তদন্তে কাজ করে দুদক, জেলা প্রশাসন, মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ, সিআইডিসহ বিভিন্ন বাহিনী কাজ করে। আর গেল ১৩ আগস্ট সাদাপাথরে অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সাদাপাথরে লুটপাটে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও আওয়ামী লীগের ৪২ জন রাজনীতিবিদ ও প্রভাবশালী ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দুদক তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করে। এ ছাড়া লুটের টাকার ভাগ স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি পেত বলেও সংস্থাটি প্রতিবেদনে জানায়। এরপরেই এলো বদলির ঘোষণা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন/এসকে
সোমবার (২৫ আগস্ট_ সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের সই করা এক অফিস আদেশে এই বদলি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. রাসেলুর রহমান। তিনি বলেন, এটা স্বাভাবিক বদলিরই একটা অংশ।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সিলেট জেলা পুলিশের কোম্পানীগঞ্জ থানার ৭ জন, গোয়াইনঘাট থানার ৭ জন, বালাগঞ্জ থানার ২ জন, ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ২ জন, বিয়ানীবাজার থানার ২ জন, গোলাপগঞ্জ থানার ১ জন, গোলাপগঞ্জের কুশিয়ারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ২ জন ও আর জেলার মোটরযান শাখার ১২ জন ড্রাইভারকে জেলার বিভিন্ন থানায় বদলি করা হয়েছে।
এর আগে সিলেটের সাদাপাথর ও জাফলংয়ে চলে অবাধে লুটপাট। যার খবর গণমাধ্যমে প্রচার হলে দেশব্যাপী আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়। এটি তদন্তে কাজ করে দুদক, জেলা প্রশাসন, মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ, সিআইডিসহ বিভিন্ন বাহিনী কাজ করে। আর গেল ১৩ আগস্ট সাদাপাথরে অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সাদাপাথরে লুটপাটে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও আওয়ামী লীগের ৪২ জন রাজনীতিবিদ ও প্রভাবশালী ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দুদক তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করে। এ ছাড়া লুটের টাকার ভাগ স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি পেত বলেও সংস্থাটি প্রতিবেদনে জানায়। এরপরেই এলো বদলির ঘোষণা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন/এসকে