ব্যাট বা বোলিং করা নিয়ে গ্রামাঞ্চলে ক্রিকেটারদের মধ্যে কথা কাটাকাটির ঘটনা কম-বেশি সবারই জানা। কিন্তু পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের গুজরাট এলাকায় যা ঘটেছে, তা কল্পনারও বাইরে। সেখানে একটি প্রীতি ম্যাচে বোলিং করার সুযোগ না পেয়ে দলের অধিনায়ককে গুলি করে হত্যা করেছেন এক খেলোয়াড়।
মর্মান্তিক এ ঘটনা প্রায় এক সপ্তাহ আগের।
জানা যায়, ওই ম্যাচে বোলিং করার সুযোগ না পেয়ে অধিনায়ক ফখর ইকবালের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন ওই ক্রিকেটার। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ইকবালকে লক্ষ্য করে গুলি চালান ওই খেলোয়াড়। ঘটনাস্থলেই নিহত হন ইকবাল।
শুধু ইকবালকেই নয়, গুলি করা হয় তাঁর ভাই ও চাচাকেও। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক সপ্তাহ মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে সোমবার (২৫ আগস্ট) মারা যান ইকবালের ভাই। তবে চাচা এখনও সংকটাপন্ন অবস্থায় জীবন-মৃত্যুর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ ঘটনায় ইকবালের পরিবারসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ইতোমধ্যে নিহতের পরিবার বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছে। হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে গুজরাট পুলিশ। এমন মর্মান্তিক ঘটনা পুরো পাকিস্তানজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
মর্মান্তিক এ ঘটনা প্রায় এক সপ্তাহ আগের।
জানা যায়, ওই ম্যাচে বোলিং করার সুযোগ না পেয়ে অধিনায়ক ফখর ইকবালের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন ওই ক্রিকেটার। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ইকবালকে লক্ষ্য করে গুলি চালান ওই খেলোয়াড়। ঘটনাস্থলেই নিহত হন ইকবাল।
শুধু ইকবালকেই নয়, গুলি করা হয় তাঁর ভাই ও চাচাকেও। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক সপ্তাহ মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে সোমবার (২৫ আগস্ট) মারা যান ইকবালের ভাই। তবে চাচা এখনও সংকটাপন্ন অবস্থায় জীবন-মৃত্যুর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ ঘটনায় ইকবালের পরিবারসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ইতোমধ্যে নিহতের পরিবার বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছে। হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে গুজরাট পুলিশ। এমন মর্মান্তিক ঘটনা পুরো পাকিস্তানজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে