জুলাই গণআন্দোলনে আহত ১১ জনের চোখ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে-এমন তথ্য দিয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক জাকিয়া সুলতানা।
সোমবার (২৫ আগস্ট) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ ৮ম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণে এ তথ্য জানান তিনি।
এদিন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে জুলাই হত্যাযজ্ঞের মামলায় ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন চক্ষু বিজ্ঞান দুই চিকিৎসক পরিচালক ডা.খায়ের আহমেদ চৌধুরী, হাসাপাতালটির রেটিনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জাকিয়া সুলতানা নীলা ও শহীদ মারুফের বাবা ইদ্রিসও।
সাক্ষ্যে চিকিৎসক জাকিয়া সুলতানা জানান, জুলাই আন্দোলনের সময় জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞানে মোট চিকিৎসা নিয়েছেন ১ হাজার ২ জন। এরমধ্যে ৪৯৩ জন রোগীর এক চোখ চিরতরে নষ্ট হয়ে গেছে, দুই চোখ চিরতরে নষ্ট হয়ে গেছে ১১ জনে। আর ১১৮ জনের স্বল্প ও স্বাভাবিক দৃষ্টি শক্তি নষ্ট হয়ে গেছে। তাদের অধিকাংশ মেটালিট পিলেট এবং কেউ কেউ রিয়েল বুলেট দ্বারা আহত হয়েছিলেন।
সাক্ষ্যে ছেলে হত্যার জন্য শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল, বিজিবির সদস্য রেদওয়ানুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজনবে দায়ী করে বিচার দাবি করেন শহীদ মারুফের বাবা ইদ্রিস।
এ নিয়ে এ মামলায় ৮১ জন সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্য ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম।
এদিকে জুলাই আন্দোলনের সময় ফার্মগেটে নাফিজসহ তিন জনকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার শচীন মল্লিককে বৃহস্পতিবার হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া রামপুরায় কার্নিশ থেকে গুলি এবং একজনকে হত্যা মামলায় পলাতক সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৪ জনকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
সোমবার (২৫ আগস্ট) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ ৮ম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণে এ তথ্য জানান তিনি।
এদিন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে জুলাই হত্যাযজ্ঞের মামলায় ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন চক্ষু বিজ্ঞান দুই চিকিৎসক পরিচালক ডা.খায়ের আহমেদ চৌধুরী, হাসাপাতালটির রেটিনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জাকিয়া সুলতানা নীলা ও শহীদ মারুফের বাবা ইদ্রিসও।
সাক্ষ্যে চিকিৎসক জাকিয়া সুলতানা জানান, জুলাই আন্দোলনের সময় জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞানে মোট চিকিৎসা নিয়েছেন ১ হাজার ২ জন। এরমধ্যে ৪৯৩ জন রোগীর এক চোখ চিরতরে নষ্ট হয়ে গেছে, দুই চোখ চিরতরে নষ্ট হয়ে গেছে ১১ জনে। আর ১১৮ জনের স্বল্প ও স্বাভাবিক দৃষ্টি শক্তি নষ্ট হয়ে গেছে। তাদের অধিকাংশ মেটালিট পিলেট এবং কেউ কেউ রিয়েল বুলেট দ্বারা আহত হয়েছিলেন।
সাক্ষ্যে ছেলে হত্যার জন্য শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল, বিজিবির সদস্য রেদওয়ানুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজনবে দায়ী করে বিচার দাবি করেন শহীদ মারুফের বাবা ইদ্রিস।
এ নিয়ে এ মামলায় ৮১ জন সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্য ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম।
এদিকে জুলাই আন্দোলনের সময় ফার্মগেটে নাফিজসহ তিন জনকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার শচীন মল্লিককে বৃহস্পতিবার হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া রামপুরায় কার্নিশ থেকে গুলি এবং একজনকে হত্যা মামলায় পলাতক সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৪ জনকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন