সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ইতিহাসে প্রথমবারের মতো উন্মোচিত হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত ভার্চুয়াল কন্যা ‘লতিফা’। সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ডিজিটাল দুবাই’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই চরিত্র ও তার পরিবারের নাম ঘোষণা করেছে। এটি ইউএই এর সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধকে কেন্দ্র করে তৈরি প্রথম ভার্চুয়াল পরিবার। যার উদ্দেশ্য বিভিন্ন ভাষাভাষী ও সামাজিক শ্রেণির মানুষের সঙ্গে প্রযুক্তির সংলাপ গড়ে তোলা। এই প্রকল্প ‘ইয়ার অব দ্য কিমিউনিটি’ উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত। প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এর আগে ঘোষণা করেছিলেন।
লতিফা নামকরণ জনগণের ভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রায় ১৪ হাজার মানুষ ভোট দেন। প্রস্তাবিত তিনটি নামের মধ্যে ‘লতিফা’ সর্বাধিক ৪৩ শতাংশ ভোট পায়। যেখানে ‘মীরা’ পায় ৩৭ শতাংশ এবং ‘দুবাই’ ২০ শতাংশ। ভার্চুয়াল চরিত্র লতিফা তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেও পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। বাবা মোহাম্মদ, মা সালামা এবং ভাই রাশেদ। ঐতিহ্যবাহী এমিরাতি পোশাকে আধুনিকতার ছোঁয়া নিয়ে হাজির হয় লতিফা। লতিফার মূল লক্ষ্য শিশু ও পরিবারগুলোর সঙ্গে এআই, প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল সেবার বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা গড়ে তোলা। শিগগিরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও লতিফা ও তার পরিবারকে দেখা যাবে। তাদের মাধ্যমে নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল আচরণ প্রচারের পাশাপাশি ডিজিটাল লাইফস্টাইল নিয়ে গল্প শেয়ার করা হবে। দুবাইয়ের এই উদ্যোগকে অনেকেই ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর সমাজ গঠনের একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
লতিফা নামকরণ জনগণের ভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রায় ১৪ হাজার মানুষ ভোট দেন। প্রস্তাবিত তিনটি নামের মধ্যে ‘লতিফা’ সর্বাধিক ৪৩ শতাংশ ভোট পায়। যেখানে ‘মীরা’ পায় ৩৭ শতাংশ এবং ‘দুবাই’ ২০ শতাংশ। ভার্চুয়াল চরিত্র লতিফা তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেও পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। বাবা মোহাম্মদ, মা সালামা এবং ভাই রাশেদ। ঐতিহ্যবাহী এমিরাতি পোশাকে আধুনিকতার ছোঁয়া নিয়ে হাজির হয় লতিফা। লতিফার মূল লক্ষ্য শিশু ও পরিবারগুলোর সঙ্গে এআই, প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল সেবার বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা গড়ে তোলা। শিগগিরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও লতিফা ও তার পরিবারকে দেখা যাবে। তাদের মাধ্যমে নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল আচরণ প্রচারের পাশাপাশি ডিজিটাল লাইফস্টাইল নিয়ে গল্প শেয়ার করা হবে। দুবাইয়ের এই উদ্যোগকে অনেকেই ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর সমাজ গঠনের একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন