র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আলোচনায় আসা মো. সারোয়ার আলমকে সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৮ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তাঁকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা সারোয়ার আলমকে সিলেট জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে বদলি ও পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
সারোয়ার আলম এর আগে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুর্নীতি, ভেজালবিরোধী অভিযান এবং দায়িত্বশীল কর্মকাণ্ডের জন্য আলোচনায় এসেছিলেন।
গত বছরের ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকা এ সরকারি কর্মকর্তাকে উপসচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়। তিনবার বঞ্চিত হওয়ার পর তিনি এ পদোন্নতি পান। বর্তমানে তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
র্যাবে দায়িত্ব পালনকালে তিন শতাধিক ভেজালবিরোধী অভিযান চালিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত হন মো. সারোয়ার আলম। তবে পদোন্নতি বঞ্চিত হয়ে গত সরকারের আমলে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন তিনি। ফেসবুকে লিখেছিলেন, চাকরি জীবনে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী অন্যায়, অনিয়মের বিরুদ্ধে লড়েছেন তাদের বেশিরভাগই চাকরি জীবনে পদে পদে বঞ্চিত ও নিগৃহীত হয়েছেন এবং এ দেশে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়াটাই অন্যায়।
এই ফেসবুক পোস্টকে ‘অসদাচরণ’ হিসেবে উল্লেখ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে তিরস্কার করা হয়।
বিভিন্ন ক্লাবে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চালিয়ে আলোচনায় আসেন সারোয়ার আলম। করোনা মহামারির মধ্যে কয়েকটি হাসপাতালে ভুয়া করোনা টেস্টের বিরুদ্ধে অভিযান করেও প্রশংসা পান। সর্বশেষ সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের বাড়িতে অভিযানে নেতৃত্ব দিয়ে আবারও আলোচনায় আসেন এই নির্বাহী হাকিম। ওই বাসা থেকে মাদক, অস্ত্র-গুলি ও অবৈধ ওয়াকিটকি উদ্ধারের পর তিনি হাজী সেলিমের ছেলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান সেলিমকে দেড় বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন।
সারোয়ার আলমের শিক্ষাজীবন শুরু হয় ১৯৮৩ সালে, বাড়ির পাশের ইসমাইল মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। ১৯৯৩ সালে পাকুন্দিয়া পাইলট উচ্চবিদ্যালয় (বর্তমান পাকুন্দিয়া সরকারি উচ্চবিদ্যালয়) থেকে এসএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ পেয়ে ভর্তি হয় কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল সরকারি কলেজে।
১৯৯৫ সালে কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ অর্জন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন প্রাণিবিদ্যা বিভাগে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে ২০০৫ সালে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতকোত্তর পাস করেন তিনি। সারওয়ার আলম ২০০৮ সালে ২৭তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে যোগ দেন প্রশাসনে।
মো. সারওয়ার আলম ২০০৯ সালে চট্টগ্রামের মেয়ে সানজিদা শারমিন লিন্ডার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের চারটি মেয়ে রয়েছে। যাদের নাম মাহরিন সামারা, নাজিফা সাফরিন, তানহা ও মানহা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচআর/এসকে
সোমবার (১৮ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তাঁকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা সারোয়ার আলমকে সিলেট জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে বদলি ও পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
সারোয়ার আলম এর আগে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুর্নীতি, ভেজালবিরোধী অভিযান এবং দায়িত্বশীল কর্মকাণ্ডের জন্য আলোচনায় এসেছিলেন।
গত বছরের ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকা এ সরকারি কর্মকর্তাকে উপসচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়। তিনবার বঞ্চিত হওয়ার পর তিনি এ পদোন্নতি পান। বর্তমানে তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
র্যাবে দায়িত্ব পালনকালে তিন শতাধিক ভেজালবিরোধী অভিযান চালিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত হন মো. সারোয়ার আলম। তবে পদোন্নতি বঞ্চিত হয়ে গত সরকারের আমলে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন তিনি। ফেসবুকে লিখেছিলেন, চাকরি জীবনে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী অন্যায়, অনিয়মের বিরুদ্ধে লড়েছেন তাদের বেশিরভাগই চাকরি জীবনে পদে পদে বঞ্চিত ও নিগৃহীত হয়েছেন এবং এ দেশে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়াটাই অন্যায়।
এই ফেসবুক পোস্টকে ‘অসদাচরণ’ হিসেবে উল্লেখ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে তিরস্কার করা হয়।
বিভিন্ন ক্লাবে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চালিয়ে আলোচনায় আসেন সারোয়ার আলম। করোনা মহামারির মধ্যে কয়েকটি হাসপাতালে ভুয়া করোনা টেস্টের বিরুদ্ধে অভিযান করেও প্রশংসা পান। সর্বশেষ সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের বাড়িতে অভিযানে নেতৃত্ব দিয়ে আবারও আলোচনায় আসেন এই নির্বাহী হাকিম। ওই বাসা থেকে মাদক, অস্ত্র-গুলি ও অবৈধ ওয়াকিটকি উদ্ধারের পর তিনি হাজী সেলিমের ছেলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান সেলিমকে দেড় বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন।
সারোয়ার আলমের শিক্ষাজীবন শুরু হয় ১৯৮৩ সালে, বাড়ির পাশের ইসমাইল মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। ১৯৯৩ সালে পাকুন্দিয়া পাইলট উচ্চবিদ্যালয় (বর্তমান পাকুন্দিয়া সরকারি উচ্চবিদ্যালয়) থেকে এসএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ পেয়ে ভর্তি হয় কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল সরকারি কলেজে।
১৯৯৫ সালে কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ অর্জন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন প্রাণিবিদ্যা বিভাগে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে ২০০৫ সালে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতকোত্তর পাস করেন তিনি। সারওয়ার আলম ২০০৮ সালে ২৭তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে যোগ দেন প্রশাসনে।
মো. সারওয়ার আলম ২০০৯ সালে চট্টগ্রামের মেয়ে সানজিদা শারমিন লিন্ডার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের চারটি মেয়ে রয়েছে। যাদের নাম মাহরিন সামারা, নাজিফা সাফরিন, তানহা ও মানহা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচআর/এসকে