মতভেদ থাকলেও দেশের বৃহত্তর স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, বিভিন্ন ইস্যুতে আমাদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন মতভেদ থাকবে। সেই ভিন্নমত নিরসনে আমাদের মধ্যে আলোচনা হবে। কিন্তু জাতীয় ইস্যুতে, গণতন্ত্রের পক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ না হয়, সেই লক্ষ্যে জাতীয় স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকা প্রয়োজন।
বুধবার (৬ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত ‘বিজয় র্যালি’-পূর্ব সমাবেশে লন্ডন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
‘জুলাই ঘোষণাপত্র’কে স্বাগত জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ ও জবাবদিহিমূলক একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার ৫ আগস্ট জাতীয় নির্বাচনের একটি সময়সীমা ঘোষণা করেছে। জনগণের অভিপ্রায় বাস্তবায়নের প্রয়াসেই পাঠ করা হয়েছে জুলাই ঘোষণাপত্র। এই উদ্যোগকে বিএনপি স্বাগত জানিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যে কেউ যে দলেরই সদস্য হোন না কেন, আমাদের সবার মনে রাখা জরুরি—ফ্যাসিবাদী শাসনামলে কেউই নিরাপদ ছিল না। আমার সন্তান যেমন নিরাপদ ছিল না, আপনারাও না। আমাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। নাগরিকদের কাছে আহ্বান রাখছি—নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে।
দেশ ও জনগণের কল্যাণে সকলে মিলে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, জাতিকে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমরা কোন বাংলাদেশ চাই। একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে আরও সচেতন ও সক্রিয় হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা অতীতে দেখেছি, ফ্যাসিবাদের সময় কেউ নিরাপদ ছিল না। আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছিল, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। পুরো বাংলাদেশ যেন এক বন্দিশালায় পরিণত হয়েছিল। এসব থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও আইনের শাসনের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে।
গণতন্ত্র ও দেশের জনগণের সামনে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক অপার সম্ভাবনা এবং সুযোগ এসেছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, চব্বিশের আন্দোলনের কারণে আসা সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক শক্তি প্রতিষ্ঠা করা গেলে, জনগণের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করতে পারলে, ভবিষ্যতে আর কেউ ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার সুযোগ পাবে না। দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে পারবে না। আর কোনও রক্তাক্ত চব্বিশ আমাদের দেখতে হবে না।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
তিনি বলেন, বিভিন্ন ইস্যুতে আমাদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন মতভেদ থাকবে। সেই ভিন্নমত নিরসনে আমাদের মধ্যে আলোচনা হবে। কিন্তু জাতীয় ইস্যুতে, গণতন্ত্রের পক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ না হয়, সেই লক্ষ্যে জাতীয় স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকা প্রয়োজন।
বুধবার (৬ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত ‘বিজয় র্যালি’-পূর্ব সমাবেশে লন্ডন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
‘জুলাই ঘোষণাপত্র’কে স্বাগত জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ ও জবাবদিহিমূলক একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার ৫ আগস্ট জাতীয় নির্বাচনের একটি সময়সীমা ঘোষণা করেছে। জনগণের অভিপ্রায় বাস্তবায়নের প্রয়াসেই পাঠ করা হয়েছে জুলাই ঘোষণাপত্র। এই উদ্যোগকে বিএনপি স্বাগত জানিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যে কেউ যে দলেরই সদস্য হোন না কেন, আমাদের সবার মনে রাখা জরুরি—ফ্যাসিবাদী শাসনামলে কেউই নিরাপদ ছিল না। আমার সন্তান যেমন নিরাপদ ছিল না, আপনারাও না। আমাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। নাগরিকদের কাছে আহ্বান রাখছি—নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে।
দেশ ও জনগণের কল্যাণে সকলে মিলে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, জাতিকে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমরা কোন বাংলাদেশ চাই। একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে আরও সচেতন ও সক্রিয় হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা অতীতে দেখেছি, ফ্যাসিবাদের সময় কেউ নিরাপদ ছিল না। আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছিল, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। পুরো বাংলাদেশ যেন এক বন্দিশালায় পরিণত হয়েছিল। এসব থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও আইনের শাসনের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে।
গণতন্ত্র ও দেশের জনগণের সামনে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক অপার সম্ভাবনা এবং সুযোগ এসেছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, চব্বিশের আন্দোলনের কারণে আসা সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক শক্তি প্রতিষ্ঠা করা গেলে, জনগণের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করতে পারলে, ভবিষ্যতে আর কেউ ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার সুযোগ পাবে না। দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে পারবে না। আর কোনও রক্তাক্ত চব্বিশ আমাদের দেখতে হবে না।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে