বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি পালন করেছে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) নানা আয়োজনে জুলাই গনঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
এদিন মিশন প্রাঙ্গণের বাংলাদেশ গ্যালারিতে কোরআন পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। কোরআন পাঠ করেন মিশনের ইমাম মোহাম্মদ আনসার। এরপর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ এবং জুলাই নারীদের উপর ভিত্তি করে দুটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শিত হয়।
পরবর্তীতে মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্রেরিত বাণী পাঠ করেন প্রথম সচিব (বাণিজ্যক) সাবরিন চৌধুরী এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেরিত বাণী পাঠ করে শোনান প্রধান সচিব (প্রেস) তারেক চয়ন। এরপর জুলাইয়ের দিনগুলো নিয়ে শুরু হয় আলোচনা অনুষ্ঠান। এতে অংশ নেন পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত দুই শিক্ষার্থী অর্পিতা মজুমদার রিয়া ও সীমান্ত বসু।
আলোচনা শেষে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। সর্বশেষে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সংগীত পরিবেশন করেন পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা।
সর্বশেষ উপ-হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত উপ-হাইকমিশনার সিকদার মো. আশরাফুর রহমানের সমাপনী বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সেলর (কনস্যুলার) এএসএম আলমাস হোসেন, উপ-হাইকমিশনের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) শেখ মারেফাত তারিকুল ইসলাম ও কাউন্সেলর তুষিতা চাকমা, এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন/এসকে
এদিন মিশন প্রাঙ্গণের বাংলাদেশ গ্যালারিতে কোরআন পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। কোরআন পাঠ করেন মিশনের ইমাম মোহাম্মদ আনসার। এরপর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ এবং জুলাই নারীদের উপর ভিত্তি করে দুটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শিত হয়।
পরবর্তীতে মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্রেরিত বাণী পাঠ করেন প্রথম সচিব (বাণিজ্যক) সাবরিন চৌধুরী এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেরিত বাণী পাঠ করে শোনান প্রধান সচিব (প্রেস) তারেক চয়ন। এরপর জুলাইয়ের দিনগুলো নিয়ে শুরু হয় আলোচনা অনুষ্ঠান। এতে অংশ নেন পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত দুই শিক্ষার্থী অর্পিতা মজুমদার রিয়া ও সীমান্ত বসু।
আলোচনা শেষে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। সর্বশেষে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সংগীত পরিবেশন করেন পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা।
সর্বশেষ উপ-হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত উপ-হাইকমিশনার সিকদার মো. আশরাফুর রহমানের সমাপনী বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সেলর (কনস্যুলার) এএসএম আলমাস হোসেন, উপ-হাইকমিশনের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) শেখ মারেফাত তারিকুল ইসলাম ও কাউন্সেলর তুষিতা চাকমা, এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন/এসকে