ওপার বাংলার পূজা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচিত নাম। একসময়ে বাণিজ্যিক বাংলা ছবিতে তাকে নিয়মিত পেতেন দর্শক। পরবর্তীতে পূজা কাজ করছেন মুম্বাইতেও। তারপর সন্তান কৃশিবের জন্মের পর কাজ থেকে বেশ কিছুদিন বিরতি নিয়েছিলেন। তারপর বিনোদন দুনিয়ায় ফিরেছেন স্বমহিমায়। তবে বিয়ের রাতে এ নায়িকার জীবনে কী ঘটেছিল, তা অনেকের কাছেই অজানা।
পূজা বন্দ্যেপাধ্যায় ১৮ বছর বয়সে বাড়ি থেকে পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন। প্রথম রাতে তার সঙ্গে কী ঘটেছিল তা নিয়ে এক চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। বিয়ের পর প্রথম রাতেই তিনি তার ভুল বুঝতে পেরেছিলেন।
এ প্রসঙ্গে পূজা বলেন, যার ভালোবাসার জন্য আমি আমার বাবা-মাকে ছেড়ে এসেছিলাম, যাকে আমি চিনতাম, যাকে আমি ভালোবাসতাম, সে সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছিল। আমি তার সম্পর্কে যা ভেবেছিলাম তার সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। আমি বাড়ি ফিরে যেতে চাইনি, আমি কী করব তা জানতাম না। আমি আমার বাবা-মাকে কষ্ট দিয়েছিলাম, তাই লজ্জায় বাড়ি ফিরতে পারিনি।
২০০৪ সালে পূজা বন্দ্যোপাধ্যায় অরুণয় চক্রবর্তীকে বিয়ে করেন। ২০১৩ সালে দুজনেরই বিবাহবিচ্ছেদ হয়। পূজা বলেন, আমার স্বামী বাড়ি ফিরে একবারের জন্যও আমার দিকে তাকাতেন না। আমি তার সামনে দিয়ে যেতাম কিন্তু তিনি আমার দিকে তাকাতেন না। তিনি কেবল টিভি দেখতেন। আমরা একই ছাদের নীচে অপরিচিতের মতো থাকতাম। সত্যি বলতে, আমরা দুজনেই কখনও একে অপরের জন্য তৈরি হইনি। সে বিয়ে মাত্র তিন বছর টিকেছিল। তারপর আমরা দুজনেই আলাদা হয়ে যাই।
এ অভিনেত্রী বলেন, আমার জন্ম বাংলায়। কিন্তু আমি মুম্বাইয়ে বড় হয়েছি। আমার স্কুলের পড়াশোনাও মুম্বইয়েই হয়েছে। আমার বাবা টাটা স্টিলে ছিলেন। কুনালের সঙ্গে সম্পর্ক শুরু করতে আমি দ্বিধাগ্রস্ত ছিলাম। আমি একটা সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসছিলাম এবং অন্য একটা সম্পর্কে ভয় পেয়েছিলাম। যখন আমি তার সঙ্গে থাকতাম, তখন অনেকবার আমার মনে হতো আমি একা। আমি একজন মেয়ে।
পূজার স্বামী কুণাল বলেন, আমি জানতাম পূজা বিবাহিত। তার প্রাক্তন স্বামীও আমার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। যা হওয়ার কথা ছিল, তাই ঘটেছিল। আমরা খুব ছোট ছিলাম, তাই পরিবারের সদস্যরাও অস্বীকার করেনি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচআর/এসকে
পূজা বন্দ্যেপাধ্যায় ১৮ বছর বয়সে বাড়ি থেকে পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন। প্রথম রাতে তার সঙ্গে কী ঘটেছিল তা নিয়ে এক চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। বিয়ের পর প্রথম রাতেই তিনি তার ভুল বুঝতে পেরেছিলেন।
এ প্রসঙ্গে পূজা বলেন, যার ভালোবাসার জন্য আমি আমার বাবা-মাকে ছেড়ে এসেছিলাম, যাকে আমি চিনতাম, যাকে আমি ভালোবাসতাম, সে সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছিল। আমি তার সম্পর্কে যা ভেবেছিলাম তার সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। আমি বাড়ি ফিরে যেতে চাইনি, আমি কী করব তা জানতাম না। আমি আমার বাবা-মাকে কষ্ট দিয়েছিলাম, তাই লজ্জায় বাড়ি ফিরতে পারিনি।
২০০৪ সালে পূজা বন্দ্যোপাধ্যায় অরুণয় চক্রবর্তীকে বিয়ে করেন। ২০১৩ সালে দুজনেরই বিবাহবিচ্ছেদ হয়। পূজা বলেন, আমার স্বামী বাড়ি ফিরে একবারের জন্যও আমার দিকে তাকাতেন না। আমি তার সামনে দিয়ে যেতাম কিন্তু তিনি আমার দিকে তাকাতেন না। তিনি কেবল টিভি দেখতেন। আমরা একই ছাদের নীচে অপরিচিতের মতো থাকতাম। সত্যি বলতে, আমরা দুজনেই কখনও একে অপরের জন্য তৈরি হইনি। সে বিয়ে মাত্র তিন বছর টিকেছিল। তারপর আমরা দুজনেই আলাদা হয়ে যাই।
এ অভিনেত্রী বলেন, আমার জন্ম বাংলায়। কিন্তু আমি মুম্বাইয়ে বড় হয়েছি। আমার স্কুলের পড়াশোনাও মুম্বইয়েই হয়েছে। আমার বাবা টাটা স্টিলে ছিলেন। কুনালের সঙ্গে সম্পর্ক শুরু করতে আমি দ্বিধাগ্রস্ত ছিলাম। আমি একটা সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসছিলাম এবং অন্য একটা সম্পর্কে ভয় পেয়েছিলাম। যখন আমি তার সঙ্গে থাকতাম, তখন অনেকবার আমার মনে হতো আমি একা। আমি একজন মেয়ে।
পূজার স্বামী কুণাল বলেন, আমি জানতাম পূজা বিবাহিত। তার প্রাক্তন স্বামীও আমার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। যা হওয়ার কথা ছিল, তাই ঘটেছিল। আমরা খুব ছোট ছিলাম, তাই পরিবারের সদস্যরাও অস্বীকার করেনি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচআর/এসকে