পাকিস্তানে জুমার নামাজের সময় বোমা হামলায় নিহত ৬
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
২৮-০২-২০২৫ ০৭:২১:৪৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৮-০২-২০২৫ ০৭:২১:৪৬ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
উত্তরপশ্চিম পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার নওশেরা জেলার দারুল উলুম হক্কানিয়া মাদ্রাসায় ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে ছয়জন নিহত হয়েছে। আহত ২০ জন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন মাদ্রাসার প্রধান মাওলানা হামিদুল হক হাক্কানি। পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের সময় মাদ্রাসার প্রধান হলে বোমা হামলা চালানো হয়। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন ও ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
কেপির আইজি জুলফিকার হামিদ স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহত হামিদুল হক হক্কানি, নিহত মাওলানা সামিউল হকের বড় ছেলে। সামিউল হককে তালেবানের ‘পিতা’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
আঞ্চলিক পুলিশ কর্মকর্তা নাজিবুর রহমান জানিয়েছেন, হামিদুল হকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দারুল উলুম হক্কানিয়া মাদ্রাসার ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি একজন রাজনীতিবিদ ও ইসলামি চিন্তাবিদ, ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন।
গত বছর তিনি পাকিস্তানের ধর্মীয় প্রতিনিধিদের একটি দলকে আফগানিস্তানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যেখানে তারা তালেবান নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
আফগান সীমান্তের প্রধান মহাসড়কের কাছাকাছি অবস্থিত দারুল উলুম হক্কানিয়া ১৯৯০-এর দশকে তালেবান আন্দোলনের সূতিকাগার ছিল। এখনও এটি প্রায়ই চরমপন্থি ইসলামি গোষ্ঠীগুলোর ‘ইনকিউবেটর’ হিসেবে বর্ণিত হয়।
এখনও পর্যন্ত কোনও গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। ঘটনার পর পেশোয়ারের সব হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। নামাজ আদায় করতে আসা নিরপরাধ মানুষদের লক্ষ্যবস্তু করা একটি ঘৃণ্য ও নিন্দনীয় কাজ বলে উল্লেখ করেছেন প্রেসিডেন্ট জারদারি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স