ঢাকা , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬ , ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​সেন্টমার্টিন ভ্রমণে জাহাজ চলাচল শুরু বৃহস্পতিবার

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ০৪-১১-২০২৬ ০৫:৪১:৫৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ০৪-১১-২০২৬ ০৫:৪১:৫৫ অপরাহ্ন
​সেন্টমার্টিন ভ্রমণে জাহাজ চলাচল শুরু বৃহস্পতিবার ​ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল থেকে। সবকিছু ঠিক থাকলে অনুমতি পাওয়া এমভি বার আউলিয়া, এমভি কর্ণফুলি ও এমভি টেকনাফ জাহাজ পর্যায়ক্রমে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রা করবে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য সেন্টমার্টিন দ্বীপ উন্মুক্ত করা হলেও নানা জটিলতায় জাহাজ চলাচল শুরু হয়নি। সরকারি সব সংস্থার প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার পর কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মতিতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জাহাজ তিনটি কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে জাহাজমালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পর্যটকের সংখ্যা যাই হোক, প্রস্তুতি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জাহাজ চলাচল শুরু হবে।

ইতিমধ্যে নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন পাওয়া এই তিনটি জাহাজের মোট ধারণক্ষমতা ২ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে এমভি বার আউলিয়ার ধারণক্ষমতা ৮৫০ জন, এমভি কর্ণফুলির ৭৩২ জন এবং এমভি টেকনাফের ৭১৬ জন।

সংশ্লিষ্টদের দেওয়া সময়সূচি অনুযায়ী, এমভি বার আউলিয়া সকাল ৭টায় কক্সবাজার ঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রা করবে এবং বেলা আড়াইটায় সেন্টমার্টিন ঘাট থেকে ফিরবে। এমভি কর্ণফুলি সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার ঘাট থেকে ছেড়ে যাবে এবং সেন্টমার্টিন ঘাট থেকে ফিরবে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে।

অন্যদিকে এমভি টেকনাফ সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার ঘাট থেকে যাত্রা করবে এবং সেন্টমার্টিন ঘাট থেকে ফিরবে বিকেল সাড়ে ৩টায়।

সরকারের সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত সাড়ে চার মাস পর্যটকরা সেন্টমার্টিনে যাতায়াতের পাশাপাশি রাত্রিযাপনও করতে পারবেন। তবে দ্বীপে যেতে প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে। পাশাপাশি আগের মতোই ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট নিয়ে ভ্রমণ করতে হবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ হাজার পর্যটককে দ্বীপে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে আগের বছরের প্রজ্ঞাপনে আরোপিত বিধিনিষেধও বহাল থাকছে। এসব বিধিনিষেধ অনুযায়ী, রাতে সমুদ্রসৈকত ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন নিষিদ্ধ। এ ছাড়া কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ এবং এর ক্রয়-বিক্রয়ও করা যাবে না।

পাশাপাশি সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা নিষিদ্ধ। সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইকের মতো যানবাহন চলাচলও বন্ধ থাকবে।

বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ