সৌদি আরবে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ড
শনিবার দেশে পৌঁছাবে সেই ৭ যুবকের মরদেহ
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
৩০-১০-২০২৬ ১২:২৩:২১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
৩০-১০-২০২৬ ১২:২৩:২১ অপরাহ্ন
সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁ ও নাটোরের ৭ যুবকের মরদেহ শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেশে এসে পৌঁছাবে। সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর মুহাম্মদ রেজায়ে রাব্বি সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয় বলে নিশ্চিত করেছেন আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৯ আগস্ট সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সোফা তৈরির কারখানায় সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জন বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়। এরমধ্যে ৯ জনের মরদেহ দেশে এসেছে গত ২৭ আগস্ট। অবশিষ্ট ৭টি মরদেহের পরিচয় ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে। এরই মধ্যে মরদেহগুলো বাংলাদেশে পাঠানোর সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। সব ঠিক থাকলে আগামীকাল শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৮টা ৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মরদেহগুলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে।
সৌদি দূতাবাস থেকে পাঠানো তালিকায় শনাক্ত হওয়া নওগাঁর ৫ জন হলেন- নওগাঁ শহরের পার নওগাঁ মহল্লার মজনু রহমানের ছেলে শাহিন (২৮), আত্রাই উপজেলার ডুবাই গ্রামের নাজমুল হুদার ছেলে হাসিবুল হাসান শুভ (৩০), একই উপজেলার মধ্যবোয়ালিয়া গ্রামের আক্কাস প্রামাণিকের ছেলে মিনহাজ প্রামানিক (২৬), মাধবপুর গ্রামের মজনু সরদারের ছেলে মাসিদুল সরদার সজিব (৩৪) এবং সাধনগর গ্রামের আজহার আলীর ছেলে সাগর আলী (৩২)। এ ছাড়া, নাটোরের দুজন হলেন- নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার দিঘীপাড়া গ্রামের জাকের আলীর ছেলে মোহাম্মদ শামিম (৩৪) ও খাজুর গ্রামের বাব্বানির ছেলে সাব্বির হোসেন (২৭)।
এ ব্যাপারে আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, নিহত পরিবারগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হচ্ছে। যেহেতু মরদেহগুলো বেশ পুরোনো তাই আগের মরদেহগুলোর মত এক জায়গায় জানাযার কোন ব্যবস্থা থাকছে না। দেশে আসার পর সবগুলো মরদেহ নিজ নিজ পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হবে। সেখানেই স্থানীয়ভাবে জানাযা শেষে সেগুলোর দাফন সম্পন্ন হবে।
এদিকে, মরদেহ আসবার খবরে পরিবারগুলোতে শোকের মাতম শুরু হয়েছে। আত্রাই উপজেলার ডুবাই গ্রামের নিহত হাসিবুল হাসানের বাবা নাজমুল হুদা জানান, তারা মরদেহ ফিরে পাবার বিষয়ে আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু খবর পেয়ে এরই মধ্যে জানাযা ও দাফন প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। সন্তানকে শেষবারের মত নিজ চোখে দেখে শেষ বিদায় দিতে পারবেন এটাই বড় পাওয়া তাদের কাছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স