মানসিক স্বাস্থ্য গবেষণায় জাতীয় পর্যায়ে বরাদ্দ বাড়ানোর আহ্বান
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
২৯-১০-২০২৬ ০৬:৫৩:৫২ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৯-১০-২০২৬ ০৬:৫৩:৫২ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
মানসিক স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের বরাদ্দ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, মানসিক রোগের ক্রমবর্ধমান প্রকোপ মোকাবিলায় চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি গবেষণা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও দক্ষ জনবল তৈরিতে গুরুত্ব দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত উপস্থিত ছিলেন।
পাবনা মানসিক হাসপাতালকে আর বিনোদনের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মানসিক রোগীদের চিকিৎসা, পরিচর্যা ও পুনর্বাসনের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। এ লক্ষ্যে হাসপাতালটিকে যথাযথ চিকিৎসাসেবার উপযোগী করে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৫০০ জন চিকিৎসক যোগদান করেছেন। তাদের প্রশিক্ষণের জন্য চীন, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি দেশে উন্নত রোবোটিক সার্জারির ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় গবেষণাকে ব্যয় নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। এ খাতে জাতীয় পর্যায়ে বৃহৎ পরিসরে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক না রেখে জেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হবে। আধুনিক প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে জেলা হাসপাতালগুলোতে নিরাপদ কাউন্সেলিং সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে মানুষ ঘরে বসেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়াতে চিকিৎসকদের পাশাপাশি অন্যান্য পেশাজীবীর দক্ষতা উন্নয়নও জরুরি। এ লক্ষ্যে তাঁদের জন্য স্বল্পমেয়াদি সার্টিফিকেট কোর্স চালুর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফুন নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিশু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. একেএম আজিজুল হক এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ কার্যালয়ের হেলথ ইমারজেন্সি বিভাগের প্রধান অ্যান্টনি এশফেনি উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স