ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ , ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​ইসরায়েলে ৭০ শতাংশ ভোট গণনা শেষেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই কারো

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ২৮-১০-২০২৬ ০৪:২২:০৮ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৮-১০-২০২৬ ০৪:২২:০৮ অপরাহ্ন
​ইসরায়েলে ৭০ শতাংশ ভোট গণনা শেষেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই কারো ​ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের ১২০ আসনের পার্লামেন্ট নেসেটে কোনো দলই কখনও এককভাবে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি, ফলে সবসময়ই জোট সরকার গঠিত হয়েছে। এবারও সম্ভবত তার ব্যাতিক্রম হচ্ছে না দেশটিতে।

৭০ শতাংশেরও বেশি ভোট গণনা শেষে দেখা যাচ্ছে যে, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বা তার অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের জোট কোনোটিরই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের কোটা পূরণ করতে পারার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

রাতভর নেতানিয়াহু ও আইজেনকোট দুজনই সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন এবং পরবর্তী সরকার গঠনের অঙ্গীকার করেন।

উল্লসিত সমর্থকদের উদ্দেশে নেতানিয়াহু বলেন, “ডানপন্থি জোটের পক্ষে জায়নবাদী জনসমর্থন, ইহুদি জনসমর্থন এবং ইহুদি রাষ্ট্রকে সমর্থনকারী সবার মধ্যে একটি স্পষ্ট ও নির্ধারক সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। সেটাই এখন পরিষ্কার হয়েছে।”

তবে তিনি সরাসরি বিজয় দাবি করা থেকে বিরত থাকেন।

তিনি আরও বলেন, “আমাদের একটি শক্তিশালী, জাতীয়তাবাদী, ডানপন্থি সরকার গঠন করতে হবে। সেটাই করা প্রয়োজন।”

এক্সিট পোল প্রকাশের পর, যার বেশিরভাগই শুরুতে বিরোধীদের পক্ষে ইঙ্গিত দিয়েছিল, আইজেনকোট তার ইয়াশার পার্টির সমর্থকদের বলেন, “জনগণ পরিবর্তনকে বেছে নিয়েছে। ব্যর্থতার জোট জনগণের আস্থা হারিয়েছে। ইসরায়েলের জনগণ বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অব্যাহত রাখার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি আমার সহযোগীদের সঙ্গে কাজ করব যাতে জনগণের রায় একটি জায়নবাদী সরকারে প্রতিফলিত হয়, যা হবে স্থিতিশীল এবং ইসরায়েলের সব নাগরিকের জন্য কল্যাণকর। আর তা দ্রুতই করতে হবে, কারণ এই সময়ের দাবি সেটাই এবং দেশকে আবারও একত্রিত করা প্রয়োজন।”

ভোট গণনা শেষ হওয়ার পর সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন এবং এরপর যার সরকার গঠনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে তিনি মনে করবেন, তাকেই সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন।

এরপর ওই প্রার্থীর হাতে জোট গঠনের জন্য ২৮ দিন সময় থাকবে। তবে অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হলে তিনি আরও ১৪ দিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করতে পারবেন।

এই সময়ের মধ্যে আলোচনা ব্যর্থ হলে প্রেসিডেন্ট অন্য একজন প্রার্থীকে নিজস্ব জোট গঠনের চেষ্টা করার সুযোগ দিতে পারেন।

সেটিও ব্যর্থ হলে নেসেটের সদস্যরা প্রেসিডেন্টকে তৃতীয় একজন নেতাকে সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করতে পারেন। আর তাতেও সফলতা না এলে নতুন নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়া হবে।

২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে দলগুলোর বারবার সহযোগিতায় ব্যর্থতার কারণে ইসরায়েলে পাঁচটি পৃথক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

২০২২ সালের নির্বাচনে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ দল ১২০ আসনের মধ্যে ৩২টি জিতে সবচেয়ে বড় দলে পরিণত হয়। পরে তিনি কয়েকটি কট্টর ডানপন্থি দলের সঙ্গে জোট গঠন করেন, যার ফলে তিনি ও তার মিত্ররা ৬৪ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পান।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ