জাতিসংঘের মহাসচিব পদে আলোচনায় কে এই লানা নুসেইবেহ
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
২১-১০-২০২৬ ০১:২৬:১৩ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২১-১০-২০২৬ ০১:২৬:১৩ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লানা নুসেইবেহ। চলতি বছরের শেষে বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা।
তার উত্তরসূরি নির্বাচনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের মধ্যে সমর্থন নিয়ে টানাপোড়েনের কারণে প্রতিযোগিতা জটিল হয়ে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে নুসেইবেহর সম্ভাব্য প্রার্থিতা নতুন ভূরাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন কূটনীতিকেরা।
প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ফিনান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য সামনে এসেছে। কূটনীতিকদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নুসেইবেহর সমর্থকেরা জাতিসংঘে বিভিন্ন দেশের মিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার প্রার্থিতার বিষয়ে সমর্থন যাচাই করছেন। জাতিসংঘে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক রাষ্ট্রদূত হিসেবে তিনি বেশ সুপরিচিত। জাতিসংঘের কর্মকর্তারা মনে করছেন, আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালনরত নুসেইবেহ চলতি সপ্তাহেই মহাসচিব পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করতে পারেন।
লানা নুসেইবেহ সংযুক্ত আরব আমিরাতের একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক ও রাজনীতিবিদ। তিনি বর্তমানে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের SOAS থেকে ইসরায়েল ও ইহুদি প্রবাসী জনগোষ্ঠীর ইতিহাসবিষয়ক পড়াশোনা করেন।
২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘে সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন। এ সময় তিনি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার, নারী ও মেয়েদের অধিকার এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করেন।
এছাড়াও তিনি ২০১৭ সালে তিনি জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন ওমেন এর নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি ছিলেন। ২০১৭ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারবিষয়ক আন্তঃসরকারি আলোচনায় সহসভাপতিত্ব করেন।
লানা নুসেইবেহ সংযুক্ত আরব আমিরাতের বৈদেশিক নীতি বাস্তবায়ন, জাতিসংঘের বহুপক্ষীয় কূটনীতি এবং ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স