ঢাকা , শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ , ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সময় বেঁধে দিলেন ৭ দিন

হাসপাতালের পরিস্থিতি দেখে অসন্তোষ প্রধানমন্ত্রীর

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১৭-১০-২০২৬ ১২:৪০:৩৯ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৭-১০-২০২৬ ০২:২৭:৫৯ অপরাহ্ন
হাসপাতালের পরিস্থিতি দেখে অসন্তোষ প্রধানমন্ত্রীর ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার পরিস্থিতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

এ সময় হাসপাতালের পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার উন্নয়নে সাত দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ডেঙ্গু পরিস্থিতি, চিকিৎসাসেবার মান এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি ভবনে আকস্মিক পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। 

প্রধানমন্ত্রী কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করে সেখানে চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের চিকিৎসাসেবার বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এ ছাড়া হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (আইসিইউ), অস্ত্রোপচারকক্ষসহ বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে গিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় ডেঙ্গুর প্রকোপ, প্রতিরোধের উপায় এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে শিক্ষার্থীদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বছরের এ সময়ে, বিশেষ করে নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যায়। প্রতিবছর ডেঙ্গুতে বহু মানুষ আক্রান্ত হন এবং অনেকের মৃত্যু হয়।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো প্রতিরোধ। আর প্রতিরোধ নিশ্চিত করতে হলে নিজেদের চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গুর সঙ্গে লড়াই করতে হলে সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে প্রতিরোধ। আর এ জন্য আমাদের চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। এই কাজে আমি তোমাদের সাহায্য চাই।

তিনি বলেন, দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ যদি নিজেদের আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব গ্রহণ করে, তাহলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব। এ জন্য শিক্ষার্থীদের নিজেদের অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা একটি বিশাল শহর। এখানে দুই থেকে আড়াই কোটির বেশি মানুষের বসবাস। সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়মিত কাজ করলেও তাদের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ফলে শুধু সিটি করপোরেশন কিংবা প্রশাসনের ওপর নির্ভর করে নগরীর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক নাগরিককে নিজের দায়িত্ব বুঝে নিতে হবে।

শিক্ষার্থীদের নাগরিক দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমরা স্কাউট, গার্ল গাইড কিংবা রেড ক্রিসেন্টের সদস্য হও বা না হও, তোমরা সবাই এ দেশের নাগরিক। তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাই নিজের বাসা, স্কুল, পাড়া ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব তোমাদেরও নিতে হবে।

 
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ