সভাপতিকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদ
মিশ্রীপাড়া রাখাইন সীমা বৌদ্ধবিহার পরিদর্শন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
১৪-১০-২০২৬ ০৯:৩৪:১০ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১৪-১০-২০২৬ ০৯:৩৫:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদচিত্র : ফোকাস বাংলা নিউজ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রাখাইন সম্প্রদায়ের মিশ্রিপাড়ায় শতবর্ষী সীমা বৌদ্ধবিহার পরিদর্শন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বৌদ্ধবিহারের মূল গেট বন্ধ করে হাতের লেখা পোস্টার প্রদর্শন করা হয়েছে। ফলে কুয়াকাটায় আসা পর্যটক দর্শনার্থীদের ঐতিহ্যবাহী মিশ্রিপাড়ার সীমা বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শনে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
ওখানকার বৌদ্ধ ভিক্ষু উত্তম রাখাইন এ খবর নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার সকালে সীমা বৌদ্ধ বিহার সভাপতি রাখাইন মংলাচিংকে কতিপয় ব্যক্তি লাঞ্ছিত করায় রাখাইন পল্লীর বাসিন্দারা প্রথমে বৌদ্ধ বিহারের সামনে দাঁড়িয়ে নীরবে কিছু সময় প্রতিবাদ জানান। পরে বৌদ্ধবিহারের মূল গেট অনির্দিষ্টকালের জন্য দর্শনার্থীদের জন্য পরিদর্শন বন্ধ করে দেওয়া হয়। তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বৌদ্ধবিহার কমিটির সভাপতি রাখাইন মংলাচিং জানান, তাঁদের বৌদ্ধবিহার ও মন্দিরের আয়ের জন্য বৌদ্ধবিহারের বাউন্ডারির দক্ষিণ পশ্চিম দিকে একটা ছোট দোকান তোলার কাজ শুরু করেন। এ সময় স্থানীয় দুই প্রভাবশালী বাঙালি শামসুল আলম ও নাসির উদ্দিন হাওলাদার দোকান স্থাপনে বাধা দেন। বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হয়ে এক পর্যায়ে নাসির হাওলাদার তেড়ে আসেন। রাখাইন মংলাচিংকে লাঞ্ছিত করা হয়। মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ রাখাইন বৌদ্ধবিহার ও মন্দির পরিদর্শন কর্মকাণ্ড বুধবার সন্ধ্যা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এব্যাপারে অভিযুক্ত নাসির হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
মহিপুর থানার ওসি মো শামীম হাওলাদার জানান, তিন খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। রাখাইন নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স