ঢাকা , সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ , ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​চা বিক্রেতা দুরুদ মিয়া হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১২-১০-২০২৬ ০৪:৪৮:১৪ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১২-১০-২০২৬ ০৪:৪৮:৫৮ অপরাহ্ন
​চা বিক্রেতা দুরুদ মিয়া হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড ​ছবি: সংগৃহীত
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নারাইনপাশা চা বিক্রেতা দুরুদ মিয়াকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এ মামলার আসামি থেকে সাতজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে এই মামলার রায় দেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক শামসাদ বেগম। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন ছাদিক মিয়া।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১২ জুন সকালে সদর উপজেলার নারাইনপাশা এলাকার চায়ের দোকানদার দুরুদ মিয়া পাওনা টাকা ১ হাজার ২৬৩ টাকা ছাদিক মিয়ার কাছে চান। এতে ছাদিক মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে চলে গিয়ে কিছুক্ষণ পর দলবল নিয়ে এসে দুরুদ মিয়া ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করেন।

স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেল চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।

১২ জুন রাত সাড়ে ১১টায় নিহতের ছেলে মকবুল মিয়া বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে মৌলভীবাজার মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ এর ৩৬৮(১) ধারার বিধানমতে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি ছাদিক মিয়ার মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসির রশিতে ঝুলিয়ে কার্যকর করার নির্দেশ প্রদান করেন আদালতের বিজ্ঞ বিচারক। সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তছকির মিয়া, সিরাজ মিয়া, নুরুল ইসলাম, ছাইফুর রহমান, আতাউর রহমান, শফিক মিয়া, আছাব মিয়াকে খালাস দেওয়া হয়।

অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট নিয়ামুল হক এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এখন সরকারের কাজে সহযোগিতার জন্য আদালতে মামলার জট কমাতে কম সময়ে সাক্ষীদের এনে দ্রুত সময়ে রায় হচ্ছে। তাই উপকারভোগীরা সন্তুষ্ট হচ্ছেন।

পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ড. আব্দুল মতিন চৌধুরী এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, প্রকৃত আসামিদের দণ্ড প্রদানে বাদীপক্ষসহ আইনের প্রতি মানুষের আস্থা ও শ্রদ্ধা বাড়বে।

নিহত দুরুদ মিয়ার স্বজনরা এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি। রায় শোনার পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ও তার স্বজনরা আদালতের বারান্দায় কান্নায় ভেঙে পড়েন। বাদীপক্ষের অ্যাডভোকেট ছিলেন মো. বিল্লাল হোসেন।

বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ