ককরোচ পার্টির বিক্ষোভ: দিল্লিতে ২৩ হাজার সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
০৯-১০-২০২৬ ০৮:০২:৩১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৯-১০-২০২৬ ০৮:০২:৩১ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কাল শনিবার দিল্লির যন্তরমন্তরে জড়ো হতে যাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। আর তাদের এ কর্মসূচি ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
পুলিশ সিজেপিকে যন্তরমন্তরে জড়ো হওয়ার অনুমতি দেয়নি। কিন্তু তা সত্ত্বেও সেখানে বিক্ষোভকারীরা আসতে পারে এমন ভয়ে মেট্রো চলাচল সীমিত করে দেওয়া হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে শতাধিক ট্রেন। আর নিরাপত্তার জন্য রাজধানী শহরটিতে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ২৩ হাজার সদস্যকে।
পুলিশ জানিয়েছে, ককরোচ পার্টিকে বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়নি কারন তারা নিয়ম অনুযায়ী ১০দিন আগে অনুমতি চায়নি। এছাড়া অনুমতি না দেওয়ার জন্য পূর্বের আন্দোলনের কথা উল্লেখ করেছে নিরাপত্তাবাহিনী। তারা বলেছে, এর আগের বিক্ষোভে নিয়মনীতি মানা হয়নি। ফলে এবার জননিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে যন্তরমন্তরে কোনো আন্দোলন করার অনুমতি দেওয়া হবে না।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) জানিয়েছে, দিল্লির মধ্যাঞ্চলের কিছু অংশ ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা আইনের ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। আর কেউ যদি এটি ভঙ্গ করে তাহলে আইনি ঝামেলায় পড়তে হবে।
পুলিশ আশঙ্কা করেছে বিক্ষোভকারীরা মধ্য দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে জড়ো হতে পারেন।
দিল্লিতে ককরোচ পার্টির ঘোষিত আন্দোলনের একদিন আগেই সেখানকার ৫৭টি মেট্রো স্টেশন আজ শুক্রবার থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৫৭টি স্টেশনে কেউ প্রবেশ ও বের হতে পারবে না।
বিক্ষোভ বড় হয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নয়াদিল্লি এবং হযরত নিজামুদ্দি রেলওয়ে স্টেশনগামী শুক্র ও শনিবারের ৬১টি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করেছে ভারতের রেলওয়ে। এরমধ্যে শুক্রবার বাতিল করা হয়েছে ৪০টি এবং আগামীকাল শনিবারের ২১টি।
আর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ২৩ হাজার সদস্যকে রাজধানী দিল্লিতে ইতিমধ্যে মোতায়েন করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স