সেগুনবাগিচার ফুটপাত দখলমুক্ত করল ডিএসসিসি
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
০৫-১০-২০২৬ ০১:০৪:৩৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৫-১০-২০২৬ ০১:০৪:৩৬ অপরাহ্ন
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর সেগুনবাগিচার ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। পাশাপাশি ফুটপাতে নতুন ডাস্টবিন, পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বেঞ্চ ও সীমানাপ্রাচীর সংস্কার করা হয়েছে।
সৌন্দর্যবর্ধনের অংশ হিসেবে ফুটপাতের সীমানাপ্রাচীরে স্থান পেয়েছে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামসহ শিল্প-সংস্কৃতিতে অবদান রাখা ১০ গুণী ব্যক্তিত্বের গ্রাফিতি।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে সেগুনবাগিচায় উদ্ধার করা ফুটপাতের সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাত দখল করে কোনো হকারকে বসতে দেওয়া হবে না। হকারদের জন্য নির্ধারিত বিকল্প স্থান রয়েছে।
উচ্ছেদের পর কেউ নিষিদ্ধ স্থানে আবার বসলে মালামাল ক্রোকসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, হকারদের উচ্ছেদ করাই ডিএসসিসির উদ্দেশ্য নয়। গরিব হকারদের পুঁজির ক্ষতি হোক, সেটিও তারা চান না। এ কারণে হকারদের জন্য বিকল্প জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রশাসক জানান, পীর ইয়ামেনী মাজার এলাকায় শুক্র ও শনিবার ‘হলিডে মার্কেট’ চালুর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য দিন আইডিয়াল স্কুলের বিপরীত পাশের সড়কের ফুটপাতে হকারদের বসার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। হকার সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে একাধিক আলোচনার মাধ্যমে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে মূল সড়ক বন্ধ করে কিংবা অনুমতি ছাড়া অন্য কোনো ফুটপাতে হকার বসতে পারবেন না বলে সতর্ক করেন তিনি। উচ্ছেদের পর কেউ পুনরায় নিষিদ্ধ স্থানে বসলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান প্রশাসক।
মো. আবদুস সালাম বলেন, যে স্থান দিয়ে আগে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারত না, নিরলস প্রচেষ্টায় সেটিকে হকারমুক্ত করা হয়েছে। শিল্পকলা একাডেমি সংলগ্ন এলাকাটিকে একটি পরিচ্ছন্ন সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল হিসেবে গড়ে তুলতে চায় ডিএসসিসি।
এলাকাটি পরিচ্ছন্ন রাখতে ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়মিত কাজ করবেন জানিয়ে তিনি বলেন, সৌন্দর্য ও পরিবেশ বজায় রাখতে শিল্পকলা একাডেমি ও সাধারণ নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
ঢাকাকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ রাখতে সাংবাদিক, হকারসহ সর্বস্তরের নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকাকে ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন’ রাখা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়; এটি ঢাকাবাসীর নাগরিক দায়িত্ব।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স