সিইসির পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভের ডাক, মেট্রো স্টেশন বন্ধ
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
০২-১০-২০২৬ ০২:০৭:৫৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০২-১০-২০২৬ ০২:৪২:২৫ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গান্ধী জয়ন্তীতে দিল্লি ও মুম্বাইয়ে বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিয়েছে বিভিন্ন ছাত্র, যুব ও নাগরিক সংগঠন। তাদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বেআইনি ও স্বেচ্ছাচারী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। সম্ভাব্য বিক্ষোভ ঘিরে আগেভাগেই নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিল্লির নয়াদিল্লি এলাকায় জমায়েত নিয়ন্ত্রণে ১৬৩ ধারা জারি করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে যন্তর মন্তরে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। ওই এলাকায় পাঁচজন বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পুলিশের অনুমতি না থাকায় নির্ধারিত কর্মসূচি ঘিরে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
যন্তর মন্তর এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও র্যাফ সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি জলকামানও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কয়েক মাস আগে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভের সময়ও যন্তর মন্তর রোডে ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল।
তবে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শুক্রবার কর্মসূচি পালনের কথা জানিয়েছেন এসএফআই সভাপতি আদর্শ এম সাজি ও আইসা নেত্রী নেহা বোরা। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া জমায়েত, স্লোগান, বক্তৃতা বা বিক্ষোভ হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিরাপত্তাজনিত কারণে দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ কনট প্লেস, পটেল চক, তলস্তয় মার্গ ও সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে যন্তর মন্তর ও আশপাশের ১১টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ বন্ধ রাখা হয়েছে।
এদিকে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে শুক্রবার থেকে সিজেপির ‘জেল ভরো’ কর্মসূচি শুরুর কথা রয়েছে। তবে মহারাষ্ট্র পুলিশ ওই কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি। পুলিশের যুক্তি, ২০১৩ সালে বোম্বে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী শিবাজি পার্কে সাধারণভাবে জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যদিও সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকে জানিয়েছেন, অনুমতি না মিললেও মুম্বাইয়ে তাদের আন্দোলন চলবে।
আন্দোলনের পরবর্তী ধাপে কলকাতা, বেঙ্গালুরু ও গোয়াতেও ‘জেল ভরো’ কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি মাসের শেষ দিকে দিল্লির যন্তর মন্তরে ফের বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। তাদের দাবি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
অন্যদিকে বিজেপিবিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটও শুক্রবার থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ কর্মসূচি শুরু করছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৮ অক্টোবর জেলা পর্যায়ে পদযাত্রা এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে ৬ অক্টোবর বিরোধী দলগুলোর সংসদ সদস্যদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দপ্তর অভিমুখে পদযাত্রার পরিকল্পনাও রয়েছে।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স