বাড্ডায় বাসায় ঢুকে গাড়িচালকের পায়ে গুলি
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
১৩-০৯-২০২৬ ১১:১১:২৬ পূর্বাহ্ন
আপডেট সময় :
১৩-০৯-২০২৬ ০২:৪৩:৫৬ অপরাহ্ন
ফাইল ছবি
রাজধানীর বাড্ডায় একটি বাসায় ঢুকে মো. রানা (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তার ডান পায়ের হাঁটুর ওপরের অংশে গুলি লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বাড্ডা থানাধীন হোসেন মার্কেটের পেছনে ময়নারবাগ বউবাজার এলাকার ৩৭৩ নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান আহত রানা ও তার স্বজনরা।
আহত রানা পেশায় গাড়িচালক। তার বাবার নাম মৃত আব্দুর রব। তিনি রাজধানীর ভাটারায় নতুন বাজারের কাজীবাড়ি এলাকায় থাকেন। তার স্থায়ী ঠিকানা নোয়াখালীর মাইজদী।
ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রানা জানান, শনিবার দুপুরের দিকে উত্তর বাড্ডায় তার ভাই জয়ের বাসায় দাওয়াতে যান। পরে একটি কক্ষে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। তার সঙ্গে আরেক ছোট ভাই ও জয়ও ছিলেন।
রানা বলেন, রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বাসার দরজায় নক করা হয়। ভেতর থেকে ‘কে’ জানতে চাইলেও বাইরে থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে তার ভাই জয় দরজা খুলে কাউকে দেখতে না পেয়ে মেইন দরজার দিকে এগিয়ে যান। এ সময় হঠাৎ তামিমসহ আরও দুজন বাসার ভেতরে ঢুকে পড়েন। তারা গালিগালাজ করতে করতে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুলিটি তার ডান পায়ের হাঁটুর ওপরের অংশে লাগে। পরে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
রানা অভিযোগ করেন, একই এলাকার বাসিন্দা তামিম তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছেন। তামিমের বাবার নাম সিরাজুল ইসলাম বলে জানান তিনি।
আহত রানার স্বজনদের দাবি, তার বড় ভাইয়ের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে তামিম নিয়মিত চাঁদা দাবি করতেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে এ হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে তারা ধারণা করছেন। তাদের দাবি, তামিমের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় একটি হত্যা মামলাও রয়েছে।
পরে স্বজনরা আহত রানাকে উদ্ধার করে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। বর্তমানে তিনি জরুরি বিভাগের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান জানান, গুলিবিদ্ধ রানা জরুরি বিভাগের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স