চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম
২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না দেখালে ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
০৭-০৯-২০২৬ ০১:১০:৪৩ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৭-০৯-২০২৬ ০১:১২:২৮ অপরাহ্ন
ছবি : সংগৃহীত
চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ২৪ ঘণ্টার বেশি কাউকে আটক রেখে গ্রেপ্তার না দেখালে এবং আইনি লড়াইয়ের সুযোগ না দিলে অতিরিক্ত সময়টুকু ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে।
সোমবার (৭সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে ট্রাইব্যুনালের অসংগতি হবে না, সব গুমের রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করেননি। তাই তিনি আর আপিল করার সুযোগ পাবেন না।
এর আগে রোববার রাতে মানবাধিকার সুরক্ষা জোরদার, জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ এবং সম্পত্তি হস্তান্তরে আজীবন ভোগদখলের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি দিতে জাতীয় সংসদে আজ তিনটি বিল পাস হয়েছে।
পাস হওয়া বিলগুলো হলো—‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’, ‘জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ এবং ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’।
‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’-এর মাধ্যমে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ রহিত করে একটি কার্যকর ও স্বাধীন মানবাধিকার কমিশনের জন্য নতুন আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
‘জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’-এ জোরপূর্বক গুমের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। গুম হওয়া কোনো ব্যক্তি মারা গেলে অথবা পাঁচ বছরের বেশি সময় নিখোঁজ থাকলে অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’-এ আজীবন ভোগদখলের অধিকারকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে নির্দিষ্ট শর্তে সম্পত্তি দান বা হস্তান্তর করলেও দাতা তার জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তি ব্যবহার ও ভোগ করার আইনগত অধিকার সংরক্ষণ করতে পারবেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স