লৌহজংয়ের ঐতিহ্যবাহী কাঠের ঘরের জিআই স্বীকৃতির দাবি
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
৩০-০৮-২০২৬ ০২:২৪:২৩ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
৩০-০৮-২০২৬ ০২:২৪:২৩ অপরাহ্ন
ছবি : সংগৃহীত
বাংলার ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যশিল্পের অনন্য নিদর্শন মুন্সীগঞ্জের নান্দনিক ডিজাইনের কাঠের ঘর। আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় ঐতিহ্যবাহী কারুকাজের সমন্বয়ে নির্মিত এসব ঘর এখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি বিদেশেও সমাদৃত হচ্ছে। প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, টেকসই এবং দৃষ্টিনন্দন হওয়ায় দিনদিন বাড়ছে এর জনপ্রিয়তা। তবে এই শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য মুন্সীগঞ্জের কাঠের ঘরকে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি এখন জোরালো হচ্ছে।
মুন্সীগঞ্জের দক্ষ কারিগররা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে কাঠের ঘর নির্মাণের ঐতিহ্য বহন করে আসছেন। দেশীয় কাঠ ব্যবহার করে তৈরি এসব ঘরে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন খোদাই, নকশা ও আধুনিক স্থাপত্যের সমন্বয়। আবাসিক ভবন, রিসোর্ট, পর্যটনকেন্দ্র, বাগানবাড়ি এবং গ্রামীণ অবকাশ যাপনের স্থান হিসেবে এসব কাঠের ঘরের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় দক্ষ কারিগররা দেশীয় কাঠ ব্যবহার করে আধুনিক ও ঐতিহ্যবাহী নকশায় বিভিন্ন ধরনের কাঠের ঘর নির্মাণ করে আসছেন। দেশের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছেও এসব কাঠের ঘরের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। নান্দনিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি সহজে স্থানান্তরযোগ্য এবং পরিবেশবান্ধব হওয়ায়, এ ধরনের ঘর দিনদিন আরো জনপ্রিয় হচ্ছে। কারিগররা জানান, একটি কাঠের ঘর নির্মাণে বহু মানুষের শ্রম, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার সমন্বয় ঘটে। তবে কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এ শিল্পের বিকাশ কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোতে পারছে না। ম্যাপরেফারেন্স দেখা
লৌহজং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা ববি মিতু জানান, মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুরের ঐতিহ্য এই নান্দনিক কাঠের ঘরকে বিশ্বের কাছে পরিচিতি পেতে ইতোমধ্যে জিআই পণ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তকরণের জন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আশা করছি এর একটা সুখবর আসবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স