ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬ , ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​শিশু আছিয়া হত্যা মামলার রায় হাইকোর্টে মঙ্গলবার

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ২৪-০৮-২০২৬ ০৮:০০:৫৪ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৪-০৮-২০২৬ ০৮:০০:৫৪ অপরাহ্ন
​শিশু আছিয়া হত্যা মামলার রায় হাইকোর্টে মঙ্গলবার ​ছবি: সংগৃহীত
মাগুরার চাঞ্চল্যকর আট বছরের শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর আইনি শুনানি সম্পন্ন হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিন পুনর্নির্ধারণ করেন।

আদালতে আসামি হিটু শেখের পক্ষে আইনি লড়াই পরিচালনা করেন রাষ্ট্র কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত বছরের ৫ মার্চ রাতে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় নিজ বোনের বাসায় বেড়াতে এসে নৃশংস নির্যাতনের শিকার হয় শিশু আছিয়া। বোনের শ্বশুর হিটু শেখ শিশুটিকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার অপচেষ্টা চালায়। পরবর্তীতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল পুলিশ এ মামলায় চার্জশিট দাখিল করে। এরপর ২৩ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন এবং ২৭ এপ্রিল থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের মোট ২৯ জন সাক্ষী তাঁদের সাক্ষ্য প্রদান করেন।

গত বছরের ৭ মে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব সম্পন্ন হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কাজ শেষ করে ১৩ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসানের আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হয়। পরে ১৭ মে ট্রাইব্যুনাল চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

বিচারিক আদালতের রায়ে প্রধান অভিযুক্ত হিটু শেখকে (৪৭) মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয় এবং একই সঙ্গে তাঁকে ১ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়। তবে অপরাধে সম্পৃক্ততা প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর তিন আসামি—নিহতের বোনের স্বামী সজীব শেখ (১৯), তাঁর ছোট ভাই (১৭) ও মা জাহেদা বেগমকে (৪০) খালাস দেওয়া হয়।

আইন অনুযায়ী, নিম্ন আদালতে কারও মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকর করার জন্য হাইকোর্টের অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) প্রয়োজন হয়। সেই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ মে মামলার সমুদয় নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। নথিপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পেপারবুক প্রস্তুতের জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয় এবং ৮ জুন তা প্রস্তুত হয়ে হাইকোর্টে এলে শুনানি প্রক্রিয়া শুরু হয়।

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচকে/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ