ঢাকা , রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ , ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উপকূলের প্রত্যেকটি ঘরে পানির ট্যাংক পৌঁছে দেওয়া হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ২৩-০৮-২০২৬ ০৩:৩৬:০৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৩-০৮-২০২৬ ০৩:৩৬:০৬ অপরাহ্ন
উপকূলের প্রত্যেকটি ঘরে পানির ট্যাংক পৌঁছে দেওয়া হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ছবি : সংগৃহীত
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, সুপেয় পানির কষ্ট লাঘবে উপকূলের প্রত্যেকটি ঘরে পানির ট্যাংক পৌঁছে দেওয়া হবে। রবিবার (২৩ আগস্ট) সকালে দিগরাজ এলাকায় বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নবাসীদের মাঝে ট্যাংক বিতরণ করার সময় তিনি এ কথা বলেন।

পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে চিলা, চাঁদপাই, সোনাইলতলা, মিঠাখালী ও সুন্দরবন ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মধ্যেও ট্যাংক বিতরণ করেন তিনি। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, মোংলার আয়োজনে এদিন ছয় ইউনিয়নের তিন শতাধিক পরিবারের মধ্যে পানির ট্যাংক বিতরণ করা হয়। 

পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, তীব্র লবণাক্ততা অধ্যুষিত উপকূলীয় মোংলাসহ আশপাশ এলাকায় সুপের পানির মারাত্মক সংকট রয়েছে। এ সংকট নিরসনে এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে তা দিয়ে চাহিদা পূরণে উপকূলের জনগোষ্ঠীর মাঝে পানির ট্যাংক বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, উপকূলের প্রত্যেকটি ঘরে পানির ট্যাংক পৌঁছে দেওয়া হবে। পাশাপাশি সুপের পানির উৎস সৃষ্টিতে সরকারী পুকুরগুলো পুনঃখননের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। উপকূলের কোনো মানুষ যেন সুপেয় পানির জন্য কষ্ট না পায়, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে। নিরাপদ পানির সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মোংলার বিভিন্ন এলাকায় পানির উৎসে লবণাক্ততার কারণে খাবার পানির সংকট তীব্র। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে নিরাপদ পানির জন্য অনেক পরিবারকে দূরের উৎসের ওপর নির্ভর করতে হয়। বৃষ্টির পানি ধরে রাখার ট্যাংক পাওয়ায় তাদের দীর্ঘদিনের পানির সংকট অনেকটাই কমবে বলে আশা করছেন তারা।

ট্যাংক বিতরণ অনুষ্ঠানে মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মোংলার উপসহকারী প্রকৌশলী সোহান আহম্মেদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মান্নান হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম নুর জনি, বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান জনিসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পর্যায়ক্রমে উপকূলীয় এলাকার আরও পরিবারকে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ট্যাংকের আওতায় আনার উদ্যোগ রয়েছে। পাশাপাশি সরকারি পুকুর পুনঃখননের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে সুপেয় পানির উৎস তৈরির কাজও এগিয়ে নেওয়া হবে।
 
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন 

 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ