ঢাকা , রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ , ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​ঘুষ না দেওয়ার নির্দেশ, ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস

মহেশপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা সফর

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১৬-০৮-২০২৬ ০৩:৪২:০৮ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৬-০৮-২০২৬ ০৫:০২:৪৮ অপরাহ্ন
মহেশপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা সফর ​ছবি: সংগৃহীত
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম ও সমস্যা সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় আউটসোর্সিংয়ে কর্মরতদের কাছে ঘুষ দাবি করা ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি হাসপাতালের জনবল সংকট দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেন।

রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হঠাৎ মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের চিকিৎসাসেবার বিষয়ে খোঁজ নেন। পরে ওষুধের স্টোর, স্টক রেজিস্টার, অপারেশন থিয়েটারসহ হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে দেখেন।

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরে হাসপাতালের অফিস কক্ষে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করেন তিনি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নেলেনা আক্তার নিপা স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সংকটের কথা জানান। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে ফোন করে জনবল সংকট সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

এ ছাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আউটসোর্সিংয়ে কর্মরত কয়েকজনের কাছে এক ঠিকাদার ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছেন—এমন অভিযোগের বিষয়েও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানানো হয়। এ সময় তিনি ঘুষের টাকা না দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং অভিযুক্ত ঠিকাদার মনিরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োজিত যেসব কর্মী এখনো বেতন পাননি, তাঁদের বেতন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি হাসপাতালের অন্যান্য সমস্যাও দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।

মহেশপুরের ভৈরবা হাসপাতাল বন্ধ থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে। এর আওতায় প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে হেলথ সেন্টার চালু করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশে ২ থেকে আড়াই হাজার শয্যার ১০ থেকে ১২টি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি হাসপাতাল নারীদের জন্য নির্ধারিত থাকবে।

আকস্মিক পরিদর্শনের কারণ জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক হাসপাতালে চিকিৎসকরা অনুপস্থিত থাকেন। সরকারি ওষুধ মজুত থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরে থেকে ওষুধ কিনে আনতে হয়। কোথাও কোথাও হাসপাতালের পরিবেশও অপরিচ্ছন্ন থাকে। এসব অনিয়ম ও সমস্যা বন্ধ করতেই আকস্মিক পরিদর্শন করা হচ্ছে।

বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ