আইইইএফের গবেষণা
২৩৯ কারখানার ছাদে ৬৬৭ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
০৫-০৮-২০২৬ ০১:৩১:৫৯ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৫-০৮-২০২৬ ০১:৩১:৫৯ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
শিল্প-কারখানার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন (ইপিসি) প্রতিষ্ঠানের হাতে ৫০০ মেগাওয়াটের বেশি ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের পাইপলাইন রয়েছে।
সরকারের লক্ষ্য, ২০৩০ সালের মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে নতুন করে পাঁচ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) প্রকাশিত ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যানশিয়াল অ্যানালিসিসের (আইইইএফএ) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ‘রোল অব ডিস্ট্রিবিউটেড এনার্জি রিসোর্সেস ইন এনার্জি ট্রানজিশন : আ মাল্টি-কান্ট্রি পার্সপেক্টিভ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বিকেন্দ্রীভূত জ্বালানি ব্যবস্থার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রভিত্তিক জাতীয় গ্রিড এখনো দেশের প্রধান বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা হলেও ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, সৌরচালিত সেচ, ব্যাটারি স্টোরেজ এবং ভেহিকল-টু-গ্রিড (ভি২জি) প্রযুক্তির মতো বিকেন্দ্রীভূত জ্বালানি ব্যবস্থা (ডিইআর) দ্রুত গুরুত্ব পাচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত দেশে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের স্থাপিত সক্ষমতা ৪১৮.১ মেগাওয়াট। তবে আইইইএফএর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিভিন্ন শিল্প গ্রুপসহ ২৩৯টি প্রতিষ্ঠানে এ সক্ষমতা এরই মধ্যে ৬৬৭ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। শূন্য দশমিক ১৫ মেগাওয়াটের কম ক্ষমতার ছোট প্রকল্পগুলো যুক্ত করলে মোট সক্ষমতা প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট হতে পারে।
আইইইএফএর দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের বাংলাদেশবিষয়ক প্রধান বিশ্লেষক ও প্রতিবেদনের সহলেখক শফিকুল আলম বলেন, বর্তমানে দেশের গ্রিড-সংযুক্ত পরিবর্তনশীল নবায়নযোগ্য জ্বালানির মোট সক্ষমতা ৮৫৯ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের দ্রুত সম্প্রসারণ বিদ্যুৎ খাতের জন্য ইতিবাচক অগ্রগতি। শিল্প খাতেই কয়েক হাজার মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, দেশের সেচ খাত এখনো ব্যাপকভাবে ডিজেলনির্ভর। ডিজেলচালিত সেচের এক-তৃতীয়াংশ সৌরবিদ্যুত্চালিত করা গেলে বছরে প্রায় ২৪ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলারের ডিজেল আমদানি ব্যয় সাশ্রয় করা সম্ভব।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স