ঢাকা , রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬ , ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খামেনির জানাজায় ইরানিদের কাঁদতে দেখে বিস্মিত ট্রাম্প

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ০৫-০৭-২০২৬ ১১:২৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
আপডেট সময় : ০৫-০৭-২০২৬ ১২:১৪:৪১ অপরাহ্ন
খামেনির জানাজায় ইরানিদের কাঁদতে দেখে বিস্মিত ট্রাম্প ফাইল ছবি
হোয়াইট হাউসে বৈঠকের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে অনুরোধ করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই একথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আগামী সপ্তাহেই এ বৈঠক হতে পারে। একই সঙ্গে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির জানাজায় ইরানিদের কাঁদতে দেখে বিস্মিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন মার্কিন রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্ট।

বার্তাসংস্থা আনাদোলু বলছে, শনিবার (৪ জুলাই) মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেয়া এক সংক্ষিপ্ত টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের সম্পর্ক খুবই ভালো। (নেতানিয়াহু) জানেন, বস কে।’

মূলত চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে বৈঠকের পর এটিই হবে দুই নেতার প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ। ওই বৈঠকে নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ যুদ্ধের একটি পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন।

তবে এক ইসরাইলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ ৭-৮ জুলাই তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে ট্রাম্পের। তার মতে, বৈঠকটি সম্ভবত এর পরের সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গত শুক্রবার (৩ জুলাই) ট্রাম্পকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানান নেতানিয়াহু। এ সময় দুই নেতা শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রে বৈঠক করতে সম্মত হন।

ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির জানাজা পর্যবেক্ষণ করছেন। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ অভিযানে যুদ্ধের প্রথম দিনই খামেনি নিহত হন।

ট্রাম্পের দাবি, ইরান ‘চুক্তি করার জন্য আকুতি জানাচ্ছে’। তবে খামেনির জানাজা শেষ না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষ এক সপ্তাহের জন্য আলোচনা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, এ সময়ের মধ্যে কোনও পক্ষই একে অপরের ওপর গুলি চালাবে না।

ট্রাম্প বলেন, ‘তারা সবাই সেখানে আছে। একটি গুলিই যথেষ্ট (আমরা চাইলে সবাইকে হত্যা করতে পারি)। কিন্তু আমরা তা করব না। কারণ তাহলে আলোচনার জন্য আর কাউকে পাওয়া যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, খামেনির জানাজায় ইরানিদের কাঁদতে দেখে তিনি বিস্মিত হয়েছেন। তার ধারণা ছিল, মানুষ খামেনিকে ঘৃণা করে। ট্রাম্পের ভাষায়, ‘হয়তো ওগুলো কৃত্রিম কান্না।’

বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ