ফুটপাতের স্লাব বিধ্বস্ত, ঝুঁকিতে পথচারীরা
আন্ধারমানিক সেতুর সৌরপ্যানেল উধাও
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
২৭-০৬-২০২৬ ১১:১৯:১৫ পূর্বাহ্ন
আপডেট সময় :
২৭-০৬-২০২৬ ১২:০০:২৩ অপরাহ্ন
ফোকাস বাংলা নিউজ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আন্ধারমানিক সেতুর ফুটপাতের অসংখ্য স্লাব ভেঙ্গে জরাজীর্ণ হয়ে গেছে। বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। একই দশা সেতুর সৌরবিদ্যুৎ সিস্টেমের। অর্ধেক বাতি রাতের বেলা জ¦লে না। অন্তত ২২টি সোলার বাতির সৌরপ্যানেল চুরি হয়ে গেছে। একদিকে হাঁটাপথের স্লাব বিধ্বস্ত। অপরদিকে রাতের বেলা থাকছে অন্ধকার। পথচারীদের ঝুঁকি নিয়ে মূল সড়কে চলাচল করতে হয়। ফলে দ্রুত গতির যানবাহন চলাচলে দুর্ঘটনার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। পথচারীদের রাতের বেলা চলতে হয় নিরাপত্তাহীনভাবে। তারা দ্রুত বিধ্বস্ত স্লাব মেরামতের পাশাপাশি সকল সোলার সিস্টেমগুলো সচল করার দাবি করেছেন। বছরের পর বছর এমন দুরবস্থা চলছে। কিন্তু সড়ক ও জনপথ বিভাগ রয়েছেন নির্বিকার।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুটির ফুটপাতের অসংখ্য স্লাব বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। দুই পাশেই একই অবস্থা। পাঁচ/সাত বছর আগে কয়েকটি স্লাব বিধ্বস্ত হলে তা মেরামত করা হয়। কিন্তু ফের নতুন করে অসংখ্য স্লাব অন্তত দুই বছর ধরে বিধ্বস্ত হয়ে আছে। এছাড়া এমনিতেই রাতের বেলা অসংখ্য সৌরবাতি জ্বলে না। নষ্ট হয়ে গেছে। এর উপরে আবার অন্তত ২২টি সৌর বিদ্যুতের প্যানেল চুরি হয়ে গেছে। ফলে অন্ধকারের মধ্যে ফুটপাত বাদ দিয়ে সাধারণ মানুষ চলাচল করছেন। ওই সেতুতে সন্ধ্যার পরে বহু ভ্রমণকারীর আনাগোনা থাকে। অনেকে হেঁটে চলাচল করেন। পায়চারী করতে যান। দর্শনার্থীরাও সন্ধ্যার পরে সেতুতে জড়ো হন। প্রতিদিন এই সেতু হয়ে কুয়াকাটাগামী শত শত দুরপাল্লার দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসসহ পণ্যবাহী ট্রাক-ট্রলি চলাচল করছে। মানুষ চলাচল করতে ঝুঁকির সম্মুখীন হয়।
পথচারী আবুল হাসান জানান, আমি প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা এই সেতু পেরিয়ে যাওয়া আসা করছি। ফুটপাতের স্লাব ভাঙ্গা থাকায় চলাচলে খুব সমস্যায় পড়তে হয়। এছাড়া প্রায় অর্ধেক সৌরবাতি অচল। জ¦লে না। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আমরা কলাপাড়াবাসীর সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, জনস্বার্থে দ্রুত এই স্লাবগুলো মেরামত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি সৌরবাতিগুলো সচল করা দরকার। স্থানীয়রা একই দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রায় দুই বছর আগে জানিয়েছিলেন, তিনি দ্রুত বিধ্বস্ত স্লাবগুলো ঠিক করে দিবেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত কিছুই করা হয়নি। বর্তমানে তাঁকে কয়েকদফা মোবাইল করা হয়েছে, কিন্তু তিনি রিসিভ করেননি।
কলাপাড়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউছার হামিদ জানান, তিনি বিষয়টি নিরসনে পটুয়াখালী জেলা সমন্বয় সভায় উপস্থাপন করেছেন। এছাড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে অবগত করবেন।
বাংলাস্কুপ/ প্রতিনিধি/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স