পাবনায় বালু উত্তোলন নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিতে বিএনপি কর্মী নিহত
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
২৬-০৬-২০২৬ ০৩:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৬-০৬-২০২৬ ০৩:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন
ফোকাস বাংলা নিউজ
পাবনা সদর উপজেলায় পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মঞ্জু শেখ (৩৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছে। তিনি বিএনপি কর্মী ছিলেন বলে দাবি স্থানীয় বিএনপি'র।
শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুর ১ টার দিকে চরতারাপুর ও ভাঁড়ারা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী জোতকাকুরিয়া কলাবাগান পদ্মার চর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনূর রহমান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত মঞ্জু শেখ সদর উপজেলার আড়িয়া গোহাইলবাড়ি এলাকার দারোগ শেখের ছেলে। তিনি সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ ও চরতারাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ রহমত আলীর আপন ভাতিজা। নিহত মঞ্জু বিএনপির কর্মী বলে দাবি তাদের।
এলাকবাসী সূত্রে জানা গেছে, চরতারাপুরের চর এলাকা জোতকাকুড়িয়া কলাবাগান এলাকার পদ্মার চরে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালেও এ নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। শুক্রবার সকালে দুই গ্রুপের লোকজন বালু আছে কিনা নিশ্চিত হতে গিয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গোলাগুলি ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মঞ্জু শেখে মৃত্যু হয়। এরপর স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।
সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ বলেন, চরতারাপুর ও ভাঁড়ারা এলাকার কিছু লোকজন বালু তুলতে গেলে আমার ভাতিজারা বাঁধা দিতে গেলে গুলি করে। এতে মঞ্জু মারা হেছে। নিহত মঞ্জু বিএনপির একজন কর্মী বলে দাবি করেন তিনি।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনূর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিতে মঞ্জু শেখ নিহত হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। হত্যার কারণ উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।
বাংলাস্কুপ/ প্রতিনিধি/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স